সর্বশেষ
বুধবার ৮ই ফাল্গুন ১৪২৪ | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ব্লাক মাম্বা; যে নারীদের ভয়ে তটস্থ অবৈধ শিকারিরা

সোমবার ৩রা এপ্রিল ২০১৭

222291696_1491220908.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
ক্ষিপ্র বেগে অাঘাত হানতে পারে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সাপের অন্যতম জাত 'ব্লাক মাম্বা'। শিকার তার ছোবলের হাত থেকে খুব একটা বেরিয়ে যেতে পারে না। দক্ষিণ অাফ্রিকার ব্লাক মাম্বা অ্যান্টি পোচিং ইউনিট সেরকমই নিশানাভেদী সংগঠন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় গণ্ডার, হাতি, সিংহ সহ বন্যপ্রাণীর অবৈধ শিকার দিন দিন প্রচুর পরিমাণে বাড়ছে। সেখানকার কর্মকর্তারা তাই মাম্বা নামক সংগঠন তৈরি করেছেন। এটা মূলত নারীদের নিয়ে গঠিত দল, যারা বেলুলে নেটার রিজার্ভ টহল দেয়। মূলত ভাবনাটা হলো একদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দক্ষতা তৈরি করা, তাদের কর্মসংস্থান তৈরি করা, আবার একই সঙ্গে বন্যপ্রাণী সুরক্ষ করা।

২০১৩ সাল থেকে মাম্বা টিমগুলো ৪০০ বর্গমাইল এলাকায় তাদের টহল বিস্তৃত করেছে। অবৈধ শিকারিদের ১২টিরও বেশি আস্তানা গুড়িয়ে দিয়েছে। উচ্ছেদ করেছে বন্যপ্রাণীর মাংস বিক্রির দোকান। এই ইউনিট ফাঁদ পাতা ও বন্যপ্রাণীদের বিষপ্রয়োগের প্রবণতা ৭৬ শতাংশ কমিয়ে আনতে পেরেছে। অবৈধ শিকারিরা চিতাবাঘ ও বন্য কুকুর শিকারে এইসব কৌশল প্রায়ই প্রয়োগ করে থাকে।

মাম্বা ইউনিটের সদস্যরা তাদের নিজ নিজ কমিউনিটিতে বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত শিক্ষা দেয় এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের নবায়নযোগ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করে। তারা গণ্ডার সংরক্ষণবাদীদের সংরক্ষণ কাজে সহায়তা করার জন্য তাদের তাৎক্ষনিক গণ্ডার অনুসরণ মানচিত্র তৈরিতে সাহায্য করে।

অপূরণীয় বন্যপ্রাণীকে সমীহ করা এবং তাদের সুরক্ষার ব্যাপারে কমিউনিটির লোকজনকে শিক্ষিত করে মাম্বা সদস্যরা।

২০১৫ সালে জাতিসংঘ ব্লাক মাম্বাকে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কারে ভূষিত করে। এটা জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মাননা।

ব্লাক মাম্বা এবং আফ্রিকান বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের কাজে নিয়োজিত অন্যান্য সংগঠন সাধারণ জনগনের সহযোগীতা চেয়েছে। তাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট @WildlifeDay এবং হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন #WorldWildlifeDay ।

ঢাকা, সোমবার ৩রা এপ্রিল ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // কে এইচ এই লেখাটি 3967 বার পড়া হয়েছে