সর্বশেষ
সোমবার ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৫ | ১৮ জুন ২০১৮

ভ্রমণ কাহিনী দেশে বিদেশে

মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৫, ২০১৭

963349040_1493094655.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
দেশে বিদেশে হচ্ছে কথা-সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি ভ্রমণ কাহিনী। এই বইটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ভ্রমণ কাহিনী হিসেবে গণ্য করা হয়; অন্য কোন ভ্রমণ কাহিনী আজ পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যে এতোটা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি।

একটি ভ্রমণ কাহিনী হওয়া সত্বেও এটি আফগানিস্তানের লিখিত ইতিহাসের একটি অনবদ্য দলিল। লেখকের রম্য রসাত্বক বর্ণনা, বিভিন্ন পরিচিত কিংবা অপরিচিত মানুষের সাথে রসালাপ, ভ্রমণের সময় বিভিন্ন স্থানের বর্ণনা এবং শেষ পর্যায়ে এসে আফগানিস্তান ছেড়ে আসার করুন কাহিনী অসাধারনভাবে তুলে ধরা হয়েছে এই ভ্রমণ কাহিনীতে।

লেখক পরিচিতি:
সৈয়দ মুজতবা আলী (১৩ সেপ্টেম্বর ১৯০৪ - ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪) একজন বিংশ শতকী বাঙালি সাহিত্যিক। ১৯০৪ সালে ১৩ সেপ্টেম্বর অবিভক্ত ব্রিটিশ ভারতে আসামের অন্তর্ভুক্ত সিলেটের করিমগঞ্জে সৈয়দ মুজতবা আলী জন্ম।

তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক ও রম্যরচয়িতা। তিনি তার ভ্রমণকাহিনীগুলির জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়। বহুভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা একই সঙ্গে পাণ্ডিত্য এবং রম্যবোধে পরিপুষ্ট।

১৯৭৪ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি ৭০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

মূল কাহিনী:
শান্তিনিকেতনে পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে মাত্র ২৩ বছর বয়সে আফগানিস্তান সরকারের অনুরোধে 'কাবুল কৃষি কলেজে' ফার্সি এবং ইংরেজি ভাষার শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। "দেশে বিদেশে" ভ্রমন কাহিনীটি শুরু হয় তার কোলকাতা থেকে পেশওয়ার হয়ে কাবুল যাওয়ার বর্ননা দিয়ে।

কাবুলে তিনি বিভিন্ন আকর্ষনীয় ব্যক্তিত্বের সাথে পরিচিত হন এবং অত্যন্ত সূক্ষ রসবোধের সাহায্যে তাদের সাথে কথোপোকথন ও দৈনন্দিন জীবনের কার্যকলাপ তুলে ধরেন। কাবুলে অবস্থানের শেষ পর্যায়ে আফগানিস্তানের রাজনৈতিক প্রক্ষাপটের পরিবর্তন শুরু হয় এবং সাকোর আক্রমণে বিপর্যস্ত কাবুল ত্যাগের করুন কাহিনীর মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই ভ্রমণ কাহিনী।

লেখকের ভৃত্য এবং অন্যতম প্রধান চরিত্র আব্দুর রহমান। পুরো কাহিনীজুড়ে হাস্যরসাত্বক ঘটনার জন্ম দিলেও শেষ পর্যায়ে লেখকের সাথে বিদায়ের মুহূর্তে মর্মান্তিক এবং করুন পরিনতি হয়।

ঢাকা, মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৫, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৮৩০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন