সর্বশেষ
রবিবার ১০ই আষাঢ় ১৪২৫ | ২৪ জুন ২০১৮

মেঘের রহস্য ভেদের লক্ষ্যে জার্মান বিজ্ঞানীরা

মঙ্গলবার, মে ২, ২০১৭

685003096_1493715230.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
মেঘের রহস্য আজও বিজ্ঞানীদের নাগালের বাইরে৷ তার মধ্যে জলীয় বাস্পের ক্রিয়া থেকে শুরু করে সূর্যের আলো ঢেকে দেবার ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করছেন গবেষকরা৷মেঘ কীভাবে সৃষ্টি হয়? বৃষ্টি কখন হয়? বিজ্ঞানীদের কাছে আকাশ এখনো রহস্যে ভরা৷

আবহাওয়াবিদ প্রো. মানফ্রেড ভেনডিশ বলেন, ‘‘জলবায়ু গবেষণার ক্ষেত্রে মেঘ তৈরির প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট বিকিরণের প্রক্রিয়া সবচেয়ে অস্পষ্ট৷ ঠিক সে কারণেই এই প্রক্রিয়াগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷’’

বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণাকেন্দ্র তৈরি করেছেন, যেটি সরাসরি মেঘে ঢেকে যায়৷ তখন বিজ্ঞানীরা মেঘের সবচেয়ে ক্ষুদ্র উপকরণও শুষে নেন৷ এই গবেষণাগারে সেই পদার্থ বিশ্লেষণ করা হয়৷ সেই তথ্যের ভিত্তিতে জানার চেষ্টা হয়, কীভাবে ও কখন বৃষ্টিভরা মেঘের উৎপত্তি ঘটে এবং মেঘ কীভাবে সূর্যের আলো আটকে দেয় অথবা বদলে দেয়৷ বায়ুমণ্ডল রসায়নবিদ স্টেফান ম্যার্টেস বলেন, ‘‘বায়ুমণ্ডলে বিকিরণের ক্ষমতার উপর মেঘের বড় প্রভাব রয়েছে৷ ফলে জলবায়ুর উপরও তাদের প্রভাব রয়েছে, যদিও তা এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি৷’’

পরিমাপের বেশিরভাগ যন্ত্র গোটা বছর ২৪ ঘণ্টা ধরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে, আবহাওয়া যেমনই হোক না কেন৷ তাই সশরীরে উপস্থিত না থেকেও বিজ্ঞানীরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন৷

গোটা পাহাড় নিয়েও গবেষণা চলছে৷ সুগস্পিৎসে শৃঙ্গের চুনা পাথর সারা বছরই শীতে জমে থাকে৷ সেই স্থায়ী বরফ পাহাড়টিকে অটুট রাখে৷ অন্তত এখনো পর্যন্ত রেখেছে৷ সেই বরফ গলে গেলে পাহাড় ভঙ্গুর হয়ে ভেঙে পড়তে পারে৷

বিজ্ঞানীরা গোটা বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের একটা সার্বিক চিত্র তৈরি করতে চান৷ সর্বাধুনিক পরিমাপ যন্ত্রের সাহায্যে তারা আবহাওয়ার বিবর্তন থেকে শুরু করে জলবায়ুর উপর মানুষের প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারছেন৷ অত্যন্ত উন্নত এক লেজারের সাহায্যে মেঘের কণা প্রায় নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হচ্ছে৷ কারণ, মেঘ তার শীতল করার ক্ষমতার সাহায্যে জলবায়ুর উষ্ণায়নের মোকাবিলা করতে পারে৷ ভবিষ্যতে পৃথিবীতে কতটা বৃষ্টি হবে, সেটা জানা গবেষকদের একটা বড় লক্ষ্য৷

ঢাকা, মঙ্গলবার, মে ২, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // আর কে এই লেখাটি ৭৭৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন