bdlive24

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রবিবার মে ২৮, ২০১৭, ১০:১৮ এএম.


শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিডিলাইভ ডেস্ক: আজ ২৮ মে, বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী। বরেণ্য এই শিল্পী ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, মানুষের দুর্দশা, কষ্ট ও সংগ্রামই ছিল তার চিত্রকর্মের প্রধান উপজীব্য। তিনি এঁকেছেন ১৯৪৩ সালের ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ‘নবান্ন’, ১৯৭০ সালে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে লাখো উপকূলবাসীর মৃত্যুতে ‘মনপুরা’র মতো হৃদয়স্পর্শী চিত্র।

ছেলেবেলা থেকেই শিল্পকলার প্রতি ছিল তার প্রবল আগ্রহ। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে কলকাতায় গিয়েছিলেন কলকাতা গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস দেখার জন্য। সেখান থেকে ফিরে কিছুতেই সাধারণ পড়াশোনায় মন বসাতে পারছিলেন না তিনি। তাই ১৯৩৩ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষার আগেই কলকাতায় চলে যান এবং গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টসে ভর্তি হন। ছেলের এই আগ্রহ দেখে তার মা গলার হার বিক্রি করে তাকে আর্ট স্কুলে পড়তে যেতে সাহায্য করেন।

শিল্পীর কালজয়ী শিল্পকর্ম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বিপুল প্রশংসা ও স্বীকৃতি লাভ করেছে। অসাধারণ শিল্প-মানসিকতা ও কল্পনাশক্তির জন্য তিনি ‘শিল্পাচার্য’ উপাধিতে ভূষিত হন।

তারই উদ্যোগে ১৯৪৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজ (বর্তমানে চারুকলা অনুষদ) প্রতিষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং শিল্পাচার্য জয়নুলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৭৫ সালে সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ময়মনসিংহে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা গ্যালারি।

বঙ্গীয় শিল্পকলার ঐতিহ্য বিনির্মাণে তার অবদান অবিস্মরণীয়। তার চিত্রকর্মে উঠে এসেছে এ দেশের গণমানুষের কথা। প্রকাশ পেয়েছে সংগ্রামী সত্তা। তার উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে, দুর্ভিক্ষ, চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, নৌকোর গুনটানা, তিন পল্লী রমণী, মা ও শিশু প্রভৃতি।


ঢাকা, মে ২৮(বিডিলাইভ২৪)// এস আর
 
        print



মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.