সর্বশেষ
সোমবার ১৩ই ফাল্গুন ১৪২৪ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

প্রবৃদ্ধি: বিশ্ব ব্যাংকের প্রাক্কলন ৭ শতাংশের কম

2017-06-05 10:09:45

2088789620_1496635784.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ প্রাক্কলন করলেও বিশ্ব ব্যাংক বলছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের নিচেই থাকবে। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি চলতি অর্থবছরও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে সরকার আশা করলেও বিশ্ব ব্যাংকের প্রাক্কলন তার চেয়ে কম।

অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের বাইরে চাহিদা বাড়ায় প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ ছাড়ানোর কথা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বললেও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে।

বিশ্ব অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে সোমবার প্রকাশিত আন্তর্জাতিক ঋণদাতা এ সংস্থার হালনাগাদ প্রতিবেদন ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টসে’ চলতি অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলনের আগের হার বহাল রাখা হয়েছে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) কয়েক দিন আগেই সরকারের জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, হাওরে সাম্প্রতিক ফসলহানি, রপ্তানি ও রেমিটেন্সে মন্দা এবং বিনিয়োগ পরিস্থিতি বিবেচনা করলে প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম হওয়ার কথা।

বিশ্ব ব্যাংক বলছে, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেও চলতি বছর বাংলাদেশ ভালো প্রবৃদ্ধিতে রয়েছে কৃষি ও সেবা খাত চাঙ্গা থাকার কারণে। সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও শিল্প উৎপাদনের পরিস্থিতিও ভালো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেলের দামে স্থিতিশীলতা ও রপ্তানিতে সামান্য হলেও প্রবৃদ্ধি থাকায় বাংলাদেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি আরও কমেছে। উপযোগী আবহাওয়া ও তেলের দাম কমার কারণে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার নিচে সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

তবে রেমিটেন্স প্রবাহে মন্দা থাকায় কিছুটা উদ্বেগ থাকছেই। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর মন্দা ঝুঁকি তৈরি করেছে।

প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বড় ধরনের ধস দেখা দিলে বাংলাদেশের সামষ্টিক ভোগ ও বিনিয়োগেও তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব ব্যাংক।   

আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে ৬ দশমিক ৪ শতাংশে নামতে পারে বলে বিশ্ব ব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে। সেই সঙ্গে ২০১৮-২০২০ সময়ে গড়ে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলেও ধারণা দেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি চাঙ্গা হলে রেমিটেন্স বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের আস্থা ও বিনিয়োগ বাড়বে বলে বিশ্ব ব্যাংকের ধারণা।

ঢাকা, 2017-06-05 10:09:45 (বিডিলাইভ২৪) // আর কে এই লেখাটি 0 বার পড়া হয়েছে