সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ৪ঠা শ্রাবণ ১৪২৫ | ১৯ জুলাই ২০১৮

হেমেন্দ্রকুমার রায়ের 'যকের ধন'

রবিবার, জুলাই ৯, ২০১৭

501723303_1499581216.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
কিশোর সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য অংশ। বাংলা কিশোর সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এমন কিছু লেখকের মধ্যে অন্যতম হলেন হেমেন্দ্রকুমার রায়।

কাহিনী সংক্ষেপ:
কুমারের ঠাকুরদাদার মৃত্যুর পর তার ব্যক্তিগত সিন্দুক থেকে অদ্ভুত একটি জিনিস প্রকাশিত হয়। অদ্ভুত সেই বস্তুটি হলো মৃত ব্যক্তির খুলি। আর সেই খুলির সাথে লেখা কিছু সংকেত আর একটি নোটবুক যেখানে রয়েছে গুপ্তধনের সন্ধান।

কিন্তু আসলেই কি তাই? জঞ্জাল ভেবে ফেলে দেয়া মড়ার খুলি চুরি করতে আসলো কে? এতদিনের পুরনো খুলি আর সেই সাধারণ কথা লেখা পুরনো পকেট-বুক নিয়ে শুরু হল দারুন এক অভিযান।

কুমার তার নিজের কুকুর বাঘাকে নিয়ে প্রতিবেশী বড় দাদা বিমল আর চাকর রামহরির সাথে জোট করে বেরিয়ে পরে আসামের সেই দুর্গম পাহাড়ের উদ্দেশ্য। কিন্তু পথে বাঁধা হয়ে দাড়াল করালী যে কুমারের দাদুর বিশেষ পরিচিত হবার কারণে আগে থেকেই গুপ্তধনের ইতিহাস জানত।

বাঙালির ঘরের সাধারণ ছেলেরা কি পারবে সেই আদি রাজার গুপ্তধনের সন্ধান?

লেখক পরিচিতি:
হেমেন্দ্রকুমার রায় জন্ম ১৮৮৮ সালে কলকাতায়। তার পিতার নাম রাধিকাপ্রসাদ। তিনি একজন বাঙালি সাহিত্যিক এবং গীতিকার। তিনি ছোটদের জন্য রহস্য রোমাঞ্চ ও গোয়েন্দা গল্প লেখার জন্য বিখ্যাত।

হেমেন্দ্রকুমার রায় মাত্র চৌদ্দ বছর বয়েসে সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। ১৯০৩ সালে বসুধা পত্রিকায় তার প্রথম গল্প 'আমার কাহিনী' প্রকাশিত হয়।

ছোটদের জন্য তিনি ৮০টিরও বেশি বই লিখেছিলেন। এর মধ্যে কবিতা, নাটক, হাসি ও ভূতের গল্প, অ্যাডভেঞ্চার ও গোয়েন্দা কাহিনী, ঐতিহাসিক উপন্যাস সবকিছুই ছিল। তার সৃষ্ট বিমল-কুমার, জয়ন্ত-মানিক, পুলিশ ইন্সপেক্টর সুন্দরবাবু বাংলা কিশোর সাহিত্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য চরিত্র।

ঢাকা, রবিবার, জুলাই ৯, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন