bdlive24

সামাজিক মাধ্যম কমবয়সীদের উদ্বিগ্ন করে তুলছে

বৃহস্পতিবার জুলাই ২০, ২০১৭, ০১:৪৮ এএম.


সামাজিক মাধ্যম কমবয়সীদের উদ্বিগ্ন করে তুলছে

বিডিলাইভ ডেস্ক: ফেসবুক-টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বা অনলাইন নির্ভর এক জীবন তরুণ তুর্কীদেরকে আরো উদ্বিগ্ন, অসম্পূর্ণ ও ভীত করে তুলছে, বলছে গবেষণা।

ডিচ দ্য লেবেল নামের একটি অ্যান্টি-বুলিয়িং বা পীড়ন-বিরোধী দাতব্য সংস্থা এই গবেষণাটি চালিয়েছে।

এই গবেষণা জরিপে অংশ নেয়াদের মধ্যে ৪০ শতাংশ বলছে, কেউ যদি তাদের সেলফিতে লাইক না দেয়, তাহলে তারা খারাপ বোধ করে। আর ৩৫ শতাংশ বলছে তাদের কি পরিমাণ ফলোয়ার বা অনুসারী তার উপর সরাসরি নির্ভর করে তাদের আত্মপ্রত্যয়ের ব্যাপারটি।

প্রতি তিন জনে একজন বলছে তারা সারাক্ষণই সাইবার-বুলিয়িংয়ের বা পীড়নের আতঙ্কে থাকে। একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে শিশুরা 'বৈরিতার সংস্কৃতির' মধ্যে বেড়ে উঠছে।

দশ হাজার তরুণ তরুণীর উপর এই জরিপটি চালানো হয়। এদের বয়স ছিল ১২ থেকে ২০ এর মধ্যে। এই জরিপে বেরিয়ে এসেছে সাইবার-বুলিয়িং ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করেছে।

৭০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী স্বীকার করেছে যে তারা অনলাইনে অন্যের উপর পীড়নমূলক আচরণ করে। ১৭ শতাংশ দাবি করেছে তারা অনলাইনে পীড়নের স্বীকার হয়েছে। অর্ধেকই বলেছে যে তারা অনলাইনে তাদের সাথে ঘটে যাওয়া খারাপ আচরণগুলো নিয়ে আলোচনা করতে চায় না।

৪৭ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেন, তারা তাদের জীবনের খারাপ বিষয়গুলো নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা করেন না আর অধিকাংশরাই তাদের জীবনধারার একটি 'সম্পাদিত সংস্করণ' সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেন। সম্পাদিত সংস্করণ বলতে খারাপ দিকগুলো বাদ দিয়ে ভালো দিকগুলো সাজিয়ে তুলে ধরাকে বোঝানো হয়েছে।

এই গবেষণায় দেখা যায় নিচু মানের কমেন্টের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সামাজিক মাধ্যম হচ্ছে ছবি শেয়ারিং অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম।

দাতব্য প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী লিয়াম হ্যাকেট বলেন, 'কমবয়সীদের সম্মুখীন হওয়া সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে সাইবার হয়রানি একটি হয়ে উঠছে।' অনলাইনে কমেন্টগুলো নজরদারিতে আরও বেশি কাজ করতে ও অভিযোগ করার পর আরও দ্রুত সাড়া দিতে সোশাল নেটওয়ার্কগুলোকে আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুতে অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউট (ওএলএল)-এর গবেষণায় বিপরীতধর্মী তথ্য প্রকাশ পায়। এতে বলা হয়, সাইবার হয়রানি অপেক্ষাকৃত দুর্লভ।

ওএলএল-এর গবেষণায় ১৫ বছর বয়সীদের উপর মনযোগ দেওয়া হয়। এতে দেখা যায়, ৩০ শতাংশ নিয়মিত হয়রানির শিকার হয় আর তিন শতাংশ অফলাইন ও অনলাইন দুই জায়গাতেই হয়রানির শিকার হয়।

জরিপদুটির ফলাফলে এমন বিশাল তফাৎ প্রশ্নের ধরনের কারণে হয়েছে বলে মন্তব্য দাতব্য সংস্থা কিডস্পেইস-এর প্রধান নির্বাহী লরেন সিগার-স্মিথ এর। তবে তিনি ডিচ দ্য লেবেল-এর গবেষণার ফলাফলে অবাক নন বলে জানান।


ঢাকা, জুলাই ২০(বিডিলাইভ২৪)// জেড ইউ
 
        print

এই বিভাগের আরও কিছু খবর







মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.