সর্বশেষ
শনিবার ৬ই শ্রাবণ ১৪২৫ | ২১ জুলাই ২০১৮

ঢাবিতে বজলুর রহমান স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত

রবিবার, আগস্ট ৬, ২০১৭

727208713_1502033296.jpg
ঢাবি প্রতিনিধি :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং বজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে “সম্পাদক বজলুর রহমান স্মারক বক্তৃতা” রবিবার মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রয়াত সাংবাদিক বজলুর রহমানের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, ''মিডিয়ায় প্রযুক্তি ও পুঁজির ছায়া, অংশীদারিত্ব, পেশাদারিত্ব ও প্রতিষ্ঠা'' শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম।

আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্ণর ও বজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এবং সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাশেম হুমায়ুন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রয়াত সাংবাদিক বজলুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তিনি একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা ও নিরহঙ্কার, নির্লোভ ব্যক্তি ছিলেন। অজ্ঞতা, অন্যায় ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তিনি সংগ্রাম করে গেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভের পর তার অন্য পেশায় যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন।

‘সাংবাদিকতা পেশায় এধরনের মানুষেরই দরকার’ মন্তব্য করে উপাচার্য বলেন, মিডিয়ায় প্রযুক্তি ও পুঁজির অনুপ্রবেশের কারণে সাংবাদিকতার মূল্যবোধ যেন বিকিয়ে না যায়, সে ব্যাপারে প্রয়াত এই সাংবাদিক গণমাধ্যম কর্মীদের সতর্ক করতেন।

তার জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে উপাচার্য বলেন, পূর্বে সাংবাদিকতা পেশায় সুযোগ-সুবিধা কম থাকলেও বস্তুনিষ্ঠতা ছিল। এখন এ পেশায় সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে, তবে বস্তুনিষ্ঠতা কমেছে।

সাংবাদিকদের ভুল তথ্য ও অপতথ্যের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে গণমাধ্যমে অপতথ্য দেওয়া উচিৎ নয়। অপতথ্য দিয়ে প্রধান শিরোনাম করা হলে একই ধরণের ট্রিটমেন্ট দিয়ে প্রতিবাদ ছাপানো উচিৎ। সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালা সম্পর্কে শিক্ষা গ্রহণের জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।


ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ৬, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন