সর্বশেষ
রবিবার ১০ই আষাঢ় ১৪২৫ | ২৪ জুন ২০১৮

নাক ডাকার কারণ ও প্রতিকার

শুক্রবার, আগস্ট ১৮, ২০১৭

462987256_1503040309.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। শতকরা ৪০ ভাগ মানুষের নাক ডাকার সমস্যাটি আছে। সাধারণত সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটলে নাক ডাকা নিয়ে উদ্বিগ্ন হন না কেউ। যদিও এটা মারাত্মক কোন শারীরিক সমস্যার জন্যেও হতে পারে, যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, স্থুলতা, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ইত্যাদি।

ঘুমের সময় নাকের মাংসপেশি যদি খুব বেশি শিথিল হয় তাহলে নাক ডাকা শুরু হয়। যখন নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস চলাচল করে তখন এই শিথিল মাংসপেশিতে স্পন্দন হয়ে শব্দ উৎপন্ন হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে এই নাক ডাকা যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জোরে হয় তখন এটাকে অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া বলা হয়।

এ সমস্যা হলে যিনি নাক ডাকেন তার শ্বাস কয়েক সেকেন্ড থেকে ২ মিনিট পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে। যার ফলে রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। এর কারণে মাথাব্যাথা ও ক্লান্তি বোধ হতে পারে।

জেনে নিন নাক ডাকার কারণ ও এর প্রতিকার-   

কারণসমূহ:
# ঘুমের ঔষধ, ঠাণ্ডার ঔষধ ও অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ঔষধ খেলে নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে।
# ওজন বেশি হলে নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে। যাদের ঘাড় ছোট ও মোটা তারা নাক ডাকার সমস্যায় বেশি ভোগেন।
# রাতের খাবার বেশি খেলে নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে।
# অ্যালকোহল সেবন করলে নাক ডাকতে পারে।
# শিশুদের নাক ডাকার সমস্যাটি হয় মূলত টনসিল ফুলে গেলে।
# বড় ও নরম বালিশে ঘুমালে।
# চিত হয়ে ঘুমালে এবং নাক বন্ধ থাকলে
# অ্যালার্জি ও ধূমপানের কারণেও নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে।
# নাকের ভেতরের পর্দার স্থান চ্যুতির কারণে বা আলজিহবা যদি বড় হয় তাহলেও নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে।

প্রতিকারের উপায়সমুহ –
# সেডেটিভস ও অ্যান্টি হিস্টামিন ঔষধ এড়িয়ে চলুন।
# ওজন কমানোর চেষ্টা করুন।
# রাতের খাবার কম খান, পেট ভরে খাবেন না।
# অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে নিরাময়ের উদ্যোগ নিন। বেড রুম পরিষ্কার ও ধুলাবালি মুক্ত রাখুন।
# এক পাশে কাত হয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
# শিশুদের ক্ষেত্রে নাক ডাকার সমস্যা হলে টনসিলের টেস্ট করিয়ে নিন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
# পাতলা ও শক্ত বালিশ ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে বালিশ ছাড়া ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
# ধুমপান বন্ধ করুন ও নাকে বা গলায় কোন সমস্যা আছে কিনা জানার জন্য ডাক্তারের সাহায্য নিন।

যাদের নাক ডাকার সমস্যাটি আছে তারা কারণ চিহ্নিত করার চেষ্টা করুন ও প্রতিকারের ব্যবস্থা নিন।

ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৮, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ১৯২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন