সর্বশেষ
সোমবার ১১ই আষাঢ় ১৪২৫ | ২৫ জুন ২০১৮

মালদ্বীপে বাংলাদেশী শ্রমিকের মরদেহ দেখতে গেলেন রাষ্ট্রদূত

সোমবার, আগস্ট ২১, ২০১৭

1371554640_1503315164.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :
মালদ্বীপের হিমাফুসি দ্বীপে গত শনিবার সকাল ১০টায় মোহাম্মদ রিপন নামক এক বাংলাদেশী শ্রমিক মারা যায়। তার মরাদেহ রাজাধানী মালের হিমাগারে নিয়ে আসা হয়। ডেথ সার্টিফিকেট ও পুলিশ রিপোর্ট এখনও না পাওয়ায় মৃত্যুর কারন এখনও নিশ্চিত করতে হয়নি।

রিপন মালদ্বীপের ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজ কোম্পানীতে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ী কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানার চর পাড়া তলায়। জানা যায় রিপন দেড় বছর যাবত মালদ্বীপে কর্মরত ছিলেন।

এদিকে রিপনের মরদেহ হিমাগারে আনার পর গত রবিবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত রিয়ার এডমিরাল আখতার হাবীব হিমাগারে আসেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন দূতাবাসের প্রথম সচিব(শ্রম) জনাব টি.কে.এম মোশফেকুর রহমান এবং দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

রাষ্ট্রদূত এবং শ্রম উইং এর প্রথম সচিব জনাব টি.কে.এম মোশফেকুর রহমান বলেন, মরদেহ যাতে করে বাংলাদেশে মৃতের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় সে ব্যাপারে দূতাবাস থেকে মালিক পক্ষকে জোড় তাগিদ দেওয়া হয় এবং একই সঙ্গে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে দূতাবাস বিশেষ তৎপর রয়েছে।

জানা যায়, রিপনের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে পুলিশি তদন্ত চলছে এবং মালিক পক্ষও এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। মালিক পক্ষ থেকে এখনও কোন প্রকার কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। তবে আশা করা যায়, স্বল্প সময়েই রিপনের মরদেহ বাংলাদেশে প্রেরণ করা হবে।

মালদ্বীপে শ্রম উইং এর অগ্রযাত্রা ২০১৫ থেকে। নবসৃষ্ট শ্রম উইং চালু হওয়ার পর থেকে মালদ্বীপে কোন বাংলাদেশী কর্মী মারা গেলে পরিবারের সম্মতিক্রমে ৯৫% লাশ দেশে ফেরত নেওয়া হয় এ ব্যাপারে মালিক পক্ষই সব খরচ বহন করেন। আর কোন লোকের মালিক খুঁজে পাওয়া না গেলে দূতাবাসের সাহায্যের মাধ্যমেই মৃতের লাশ দেশে পাঠানো হয়।

মালদ্বীপস্থ দূতাবাসের নব নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রিয়ার এডমিরাল আখতার হাবীব যোগদানের পর থেকেই যে কোন বাংলাদেশী মারা গেলে তিনি নিজে হিমাগারে মরদেহ দেখতে যান এবং মৃতের নিকট স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন।

উল্লেখ্য, মালদ্বীপ একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এখানে আনুমানিক প্রায় ৭০-৮০ হাজার বাংলাদেশী বিভিন্ন পেশায় কর্মরত আছেন।

ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২১, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // আর এ এই লেখাটি ১৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন