bdlive24

জসীম উদ্‌দীনের 'সোজন বাদিয়ার ঘাট'

মঙ্গলবার আগস্ট ২২, ২০১৭, ০১:০৯ পিএম.


জসীম উদ্‌দীনের 'সোজন বাদিয়ার ঘাট'

বিডিলাইভ ডেস্ক: সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যোপন্যসটি জসীম উদ্‌দীনের সেরা বহুলপঠিত বই। ১৯৩৩ সালে কবির মাত্র তিরিশ বছর বয়সে লেখা এই বইটি বাংলা কাব্যোপন্যাসের জগতে বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে।

‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ সর্বাধিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত বাংলা বই। এই কাব্যোপন্যসটি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, 'তোমার 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' অতীব প্রশংসার যোগ্য। এ বই যে বাংলার পাঠক সমাজে আদৃত হবে, সে বিষয়ে আমার লেশমাত্র সন্দেহ নাই।'

কাহিনী সংক্ষেপঃ
শিমুলতলীর গ্রাম। হিন্দু-মুসলমানের মিলেমিশে বসবাস। গ্রামের হিন্দু বালিকা দুলির সাথে মুসলমানের ছেলে সোজনের আবাল্য বন্ধুত্ব। হঠাৎ গ্রামে জ্বলে ওঠে সাম্প্রদায়িকতার আগুন। সংখ্যালঘু হবার কারণে প্রাণ ভয়ে গ্রাম ছাড়ে মুসলমানেরা। বুকে করে নিয়ে যায় প্রতিশোধের চাপা আগুন।

এদিকে নিজেদের আক্রমণাত্মক মনোভাবের কারণে অনুতপ্ত হয় হিন্দুরা। কিন্তু ততক্ষণে বড্ড দেরি হয়ে গেছে। মুসলমানেরা গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে বহুদূর। চলে গেছে দুলির সোজনও। যার বিরহে দুলির সবকিছু শূন্য হয়ে যায়।

তারপর হঠাৎ দুলির বিয়ের দিন সোজনের সাথে তার সাক্ষাৎ। সোজন জানে দুলিকে নিয়ে ঘর বাঁধার বহু বিপদ। তবু দুলির কাকুতি মিনতির কাছে হার মানে সে। পালিয়ে যায় দুলিকে নিয়ে অনেক দূরে। কিছুদিন সুখে ঘরও করে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়না।

দুলির বাবার বাড়ির লোকজন মামলা করে সোজনের নামে। জোর করে নাকি দুলিকে তুলে এনেছে সে। হাকিমের রায়ে সাত বছরের জেল হয় সোজনের। আর এদিকে দুলিকে আবার দ্বিতীয়বার বিয়ে দেয় তার পরিবার।

জেল থেকে ফিরে সে খবর পেয়ে সোজন যাযাবর বেদের জীবন বেছে নেয়। তারপর একদিন ঘুরতে ঘুরতে আসে দুলির শ্বশুড়বাড়ির গ্রামে। দেখা হয় দুলির সাথে। কিন্তু দুলি তখন স্বামী সোহাগী।

একদিকে স্বামীর বিশ্বাসের মূল্য, অন্যদিকে সোজনের ভালোবাসার টান... দুই মূল্যবোধের টানাপোড়েনে পড়ে যায় অভাগি। আর এই টানাপোড়েনের শেষটা হয় বড্ড করুণ, বড্ড মর্মান্তিক!


ঢাকা, আগস্ট ২২(বিডিলাইভ২৪)// এস আর
 
        print



মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.