bdlive24

নায়করাজ রাজ্জাকের সেরা ১০ গান

বৃহস্পতিবার আগস্ট ২৪, ২০১৭, ০৮:১৮ এএম.


নায়করাজ রাজ্জাকের সেরা ১০ গান

বিডিলাইভ রিপোর্ট: বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। মুম্বাইয়ের রঙিন হাতছানি দূরে সরিয়ে রেখে রিফিউজির বেশে এই দেশে এসে ৬৫ টাকার ভাড়া বাড়িতে থেকে জীবন সংগ্রাম শুরু করেছিলেন আজকের কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাক। ৭৬ ছুঁইছুঁই করা বয়সেও যিনি তার আত্মার সাথে মিশিয়ে রেখেছিলেন চলচ্চিত্র।

তার ধ্যান জ্ঞান চিন্তা সবই আবর্তীত হতো চলচ্চিত্রকে কেন্দ্র করে। যিনি বলেছেন, অভিনয় করতে করতে আমি মরে যেতে চাই।

সত্যিই অভিনয় করতে করতে মারা গেলেন তিনি। সোমবার বিকেলে হৃদরোগে আক্রান্ত রাজ্জাককে রাজধানীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

চলুন শুনি নায়করাজের সেরা দশ গান-

নীল আকাশের নিচে: নায়করাজ আর ১৯৬৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘নীল আকাশের নিচে’ যেন একে অন্যের সমার্থক। প্রচণ্ড জনপ্রিয় হওয়া এই সিনেমার গান ‘নীল আকাশের নিচে আমি রাস্তা চলেছি একা’ এখনো স্বপ্নালু তারুণ্যের প্রতীক। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কথায় গানটিতে সুরারোপ করেন সত্য সাহা। গেয়েছেন মাহমুদুন্নবী।

তুমি যে আমার কবিতা: ১৯৭০ সালে মুক্তি পেল নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘দর্পচূর্ণ’। রাজ্জাক-কবরী জুটির জনপ্রিয়তা তখন তুঙ্গে। মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই সাবিনা ইয়াসমীন ও মাহমুদুন্নবীর কণ্ঠে গাওয়া সিনেমাটির গান ‘তুমি যে আমার কবিতা’ দর্শকের কাছে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠল। এখনো রাজ্জাক-কবরী জুটি বলতে অনেকের মনেই ভেসে ওঠে মিষ্টি প্রেমের এই গানটি। গানটির রচয়িতা আবু হেনা মোস্তফা কামাল। সুরকার সুবল দাস।

আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন: মাহমুদুন্নবীর কণ্ঠে গাওয়া এই গানটি দারুণ জনপ্রিয় হয় ১৯৭১ সালে। অভিনেত্রী শবনমের সঙ্গে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক। এই গানটি ১৯৭১ সালের ‘নাচের পুতুল’ ছবির অন্যতম একটি গান।

আমি কার জন্যে পথ চেয়ে রব: জনপ্রিয় এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ফেরদৌসি রহমান ও খন্দকার ফারুক আহমেদ। ১৯৭৭ সালে মুক্তি পায় রাজ্জাক-শাবানা জুটির এই গানের দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘অমর প্রেম’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আজিজুর রহমান।

আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো: অভিনেত্রী সুচন্দার বিপরীতে যে ক’টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন রাজ্জাক, তার মধ্যে ১৯৬৯ সালের ‘মনের মতো বউ’ উল্লেখযোগ্য। সিনেমাটিতে অভিমানী রাজ্জাকের নায়িকার প্রতি আবেগতাড়িত কণ্ঠে গাওয়া ‘আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো’ গানটি খুবই জনপ্রিয় হয়। খান আতাউর রহমানের সংগীত পরিচালনায় এই গানটি গেয়েছেন বশির আহমেদ।

প্রেমের নাম বেদনা: ১৯৬৯ সালের ‘নীল আকাশের নিচে’ সিনেমার আরেকটি জনপ্রিয় গান এটি। এতেও রাজ্জাক অভিনীত গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মাহমুদুন্নবী। গানটি এখনো জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

লাইলি তোমার এসেছে ফিরিয়া: ১৯৮৩ সালে ববিতার বিপরীতে ‘লাইলি মজনু’ সিনেমায় ব্যবহৃত হয়েছিল এই নজরুলসংগীত। গানটির সঙ্গে মৃতপ্রায় মজনুরূপী রাজ্জাকের পাশে প্রেয়সী লাইলিরূপী ববিতার অভিনয় রোমান্টিকতার এক নতুন আবেশ তৈরি করেছিল।

আমার মতো এতো সুখী নয়তো কারো জীবন: ১৯৯৭ সালে রাজ্জাক পরিচালিত ‘বাবা কেন চাকর’ ছবির গান এটি। রাজ্জাক তার পরিবারে সুখী মানুষ। অবসরপ্রাপ্ত লোকের জীবনে বড় ছেলে, বড় বউ, তাদের তাচ্ছিল্য, ছোট ছেলের দায়িত্বশীলতা, স্ত্রীর মৃত্যু এভাবে বাস্তবসম্মত দিকগুলো স্থান পেয়েছে গানটিতে। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন বিখ্যাত শিল্পী খালিদ হাসান মিলু।

হায় রে মানুষ রঙিন ফানুস: গ্রামের দরবেশ আনোয়ার হোসেনের ছেলে রাজ্জাক আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত। ট্রাক দুর্ঘটনায় বাবার অকালমৃত্যুতে গ্রামে আসেন রাজ্জাক। আধ্যাত্মিক শক্তিকে স্বীকার না করলেও তার মধ্যে সেটির প্রকাশ দেখা যায় এবং মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৮২ সালে ‘বড় ভালো লোক ছিল’ ছবিটির ‘হায় রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘আমি চক্ষু দিয়া দেখতাছিলাম জগৎ রঙিলা’ গানগুলো লোকের মুখে মুখে ফেরে।

অনেক সাধের ময়না আমার: জনপ্রিয় হওয়া এই গান ‘অনেক সাধের ময়না আমার’ এখনো জনপ্রিয়।


ঢাকা, আগস্ট ২৪(বিডিলাইভ২৪)// পি ডি
 
        print



মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.