bdlive24

নন্দীগ্রামে আউশ ধানের বাম্পার ফলন

মঙ্গলবার আগস্ট ২৯, ২০১৭, ১১:৫৫ এএম.


নন্দীগ্রামে আউশ ধানের বাম্পার ফলন

মুনিরুজ্জামান মুনির, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা। জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে ধান উৎপাদনের দিক থেকে নন্দীগ্রাম উপজেলা শীর্ষে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার এ উপজেলায় ৮হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ৯ হাজার ২২০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আউশ ধান আবাদ হয়েছে ।

বোরো ধান কাটার পর প্রায় তিন মাস জমি পতিত থাকে। স্বল্পমেয়াদি আউশ ধান আবাদ করে কৃষকরা অভাবের সময় ধান ঘরে তুলতে পেরে আনন্দিত। এতে একদিকে যেমন খাদ্যের অভাব থাকছে না, তেমনি অন্যদিকে ধানের খড় গো-খাদ্যের সঙ্কট কাটিয়ে তুলছে।

ইতোমধ্যেই আউশ ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের দলগাছা, ডুবাতেঘর, পাঁচগ্রাম, পকুরিয়া পাড়া, পৌর এলাকার নামুইট, বৈলগ্রাম, বেলঘরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় আউশ ধান কাটা মাড়াই চলছে। বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে তৃতীয় ফসল আউশ ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, আমরা আউশ ধান কাটা মাড়াই শুরু করেছি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ধানের দামও ভাল পায়েছি। তারা আরও জানান, আউশ ধান চাষাবাদের জন্য কৃষি বিভাগ বিনা মূল্যে বীজ, সার ও সেচে ভর্তুকিসহ একই জমিতে বছরে ৩টি ফসল উৎপাদনে জন্য পরামর্শ দিয়েছে তাদের।

বর্তমানে ব্রিধান-৪৮, ব্রিধান-৫৫, স্থানীয় পারি জাত ও পাঁচ ধান ৯শ থেকে ১ হাজার টাকা মন দরে বিক্রয় হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও পরামর্শে কৃষকরা দোফসলী জমিতে তিনটি ফসল ফলাচ্ছে। আশানুরুপ দাম ও ফলন ভাল হওয়ায় কৃষকে মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে।

পাঁচগ্রামের কৃষক রাজু আহম্মেদ জানান, আমাদের এলাকায় বোরো ও আমন দুটি ফসল হতো। বর্তমানের বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে তৃতীয় ফসল আউশ ধান চাষবাদ লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা বছরে তিনটি ফসল চাষের দিকে ঝুঁকছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মশিদুল হক জানান, এবার নন্দীগ্রাম উপজেলায় আউশ ধানের ফলন ভাল হয়েছে। বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট কর্তৃক অনুমদিত জাত ব্রিধান-৪৮, ব্রিধান-৫৫ চাষাবাদের জন্য আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি। এই ধানে রোগ ও পোকার আক্রমণ তেমন দেখা দেয় না। অন্য জাতের ধানের তুলনায় এর ফলন অনেক বেশি হয়। এ জাতের ধান চাষাবাদ করে কৃষকরা অনেকটা লাভবান হচ্ছে। এ বছরের চেয়ে আগামীতে আউশ চাষাবাদ যাতে বৃদ্ধি পায়, সেজন্য কৃষি বিভাগের লোকজন মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে।



ঢাকা, আগস্ট ২৯(বিডিলাইভ২৪)// এস এ
 
        print



মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.