bdlive24

আগুনের ব্যবচ্ছেদ

আগুনের পদার্থগুলো এবং কিছু মজার তথ্য (পর্ব-৬)

বৃহস্পতিবার আগস্ট ৩১, ২০১৭, ০১:১২ পিএম.


আগুনের পদার্থগুলো এবং কিছু মজার তথ্য (পর্ব-৬)

বিডিলাইভ রিপোর্ট: আদি মানবেরা আগুন আবিষ্কার করেছিলো লক্ষ লক্ষ বছর আগে। ক্রমান্বয়ে মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণ করে খাবার ঝলসে খেতে, তাপ ও আলো পেতে এবং শিকারীদের দূরে রাখতে শিখলো। আগুন মানব জীবনে এত বড় আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিলো যে কিছু মানুষ আগুনের পূজা পর্যন্ত করতো।

প্রাচীন গ্রীকদের ধারণা ছিল, আগুন চারটি মৌলিক উপাদানের একটি যা দিয়ে জগতের সব কিছু গঠিত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, আগুন মৌলিক তো নয়ই বরং আগুনের বিজ্ঞান যথেষ্ট জটিল। আগুনের শিখায় শত শত জটিল বিক্রিয়া ঘটতে থাকে এবং জটিল যৌগ উৎপন্ন ও পরিবর্তিত হতে থাকে। আজকে জেনে নেয়া যাক আগুন পদার্থ নাকি শক্তি।

আগুনের পদার্থগুলো এবং কিছু মজার তথ্য:
আগেই বলা হয়েছে আগুনের রসায়ন যথেষ্ট জটিল এবং শিখার ভেতরে অনেক ধরনের রাসায়নিক উৎপন্ন ও পরিবর্তিত হতে থাকে। বিজ্ঞানীদের মতে আমরা আগুন সম্পর্কে মাত্র জানা শুরু করছি। নিচে আমাদের পরিচিত কিছু আগুনের কিছু বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো–

১। আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি শিখার ভেতরে বাষ্প ও সুট (soot) থাকতে পারে এবং জ্বালানি থাকতে পারে। মজার ব্যাপার হলো, সেগুলো পরীক্ষা ও সনাক্ত করতে আপানার প্রয়োজন হবে শুধু এক টুকরা ধাতু, যেমন কয়েন। কয়েনটিকে শুধু শিখার বিভিন্ন স্থানে দুই-এক সেকেন্ডের জন্য ধরুন এবং বাইরে আনুন। বিশ্বাস না হলে করেই দেখুন।

       

২। আগুনের ভেতরে অসংখ্য জটিল যৌগের মধ্যে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়ন পাশাপাশি অবস্থান করে, অনেকটা প্লাজমার মতো। তাই উচ্চ বিভবে বা হাই ভোল্টেজে মোমবাতির শিখা চ্যাপ্টা হয়ে ইলেক্ট্রোডের দিকে চলে যেতে চায়। শিখা বাতাসের পরিবাহিতাও অনেক বাড়িয়ে দেয়। এটি নিয়ে ভেরিটাযিয়ামের একটি ভিডিও আছে।

৩। শিখাকে নিরেট মনে হলেও এটি আসলে ফাঁপা। কারণটা খুব সহজ- বিক্রিয়াগুলো অবশ্যই হতে হবে বাতাসের সংস্পর্শে। এটা পরীক্ষা করার উপায় হল, শিখার মাঝখানে ধাতব জালী ঢুকিয়ে দেয়া।

৪। আপনি জানতেন কি- মোমবাতি নেভানোর পরে পুনরায় জ্বালাতে ম্যাচের শিখাকে মোমবাতির সুতায় স্পর্শ করানোর প্রয়োজন নেই, শিখাকে মোমের সাদা ধোঁয়ায় স্পর্শ করানোই যথেষ্ট। এর ব্যাখ্যাটাও সহজ, সেটা না হয় আপনাদের জন্যই রেখে দেই।

৫। আপনার টেবিলে যদি একটি জ্বলন্ত মোমবাতি থাকে তাহলে টেকনিক্যালি, আপনার কাছে হীরা আছে! তাও আবার একটি নয়- প্রায় ১৫ লক্ষটি প্রতি সেকেন্ডে! University of St Andrews-এ Professor Wuzong Zhuo দেখান যে, হাইড্রোকার্বন থেকে CO2 উৎপন্ন হওয়ার এক ধাপে এগুলো উৎপন্ন হয়। কিন্তু সমস্যা হলো – এগুলো আসলে Nanodiamond এবং শিখার ভেতরেই বাতাসে পুরে সাথে সাথে কার্বন-ডাই-অক্সাইড হয়ে যায়!

আরও জানতে পড়ুন


ঢাকা, আগস্ট ৩১(বিডিলাইভ২৪)// জে এইচ
 
        print



মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.