bdlive24

থানকুনি পাতার পুষ্টিগুণ

রবিবার সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ১১:০৪ এএম.


থানকুনি পাতার পুষ্টিগুণ

বিডিলাইভ ডেস্ক: থানকুনি গাছ আমরা কমবেশি সবাই চিনি বা নাম শুনেছি। থানকুনির পাতা মূলত দুই প্রকারের দেখা যায়, বড় এবং ছোট আকারের হয়ে থাকে। ঔষধি গুণসম্পন্ন থানকুনি পাতা খেতে পারেন রস করে অথবা বেটেও। নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে দূরে থাকতে পারবেন বিভিন্ন রোগ থেকে।

জেনে নিন থানকুনি পাতার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে-

ক্ষতিকর টক্সিন প্রতিরোধে:
খাবার এবং আরও নানাভাবে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে ও রক্তে প্রবেশ করে। প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়।

হজম শক্তি বৃদ্ধিতে:
হজম শক্তি বাড়াতে পারে থানকুনি পাতা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে।

জ্বর ও আমাশয় :
আমাশয়ের সঙ্গে জ্বর হলে থানকুনি পাতার রস গরম করে ছেঁকে খাওয়াতে হবে।

পেটের সমস্যায়:
পেটের সমস্যা লেগেই থাকে? নিয়মিত থানকুনি পাতা খান, দূর হবে পেটের সমস্যা।

দূষিত ক্ষত :
মূলসহ সমগ্র গাছ নিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে দূষিত ক্ষত ধুতে হবে।

অ্যাসিডিটির সমস্যায়:
অ্যাসিডিটি দূর করতেও জুড়ি নেই থানকুনি পাতার। দুধের সঙ্গে মিসরি ও থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে পান করুন প্রতিদিন।

কাশি ও ঠাণ্ডা প্রতিরোধে:
কাশি ও ঠাণ্ডা লাগার সমস্যা দূর করতে থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান।

মুখে ঘা :
থানকুনি পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে গারগিল করতে হবে।আঘাত :

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে:
ভিটামিন সি-যুক্ত থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড, বেটা ক্যারোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে। পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এটি। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে ও বলিরেখা পড়ে না সহজে।


ঢাকা, সেপ্টেম্বর ১০(বিডিলাইভ২৪)// এস আর
 
        print



মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.