সর্বশেষ
শনিবার ৬ই শ্রাবণ ১৪২৫ | ২১ জুলাই ২০১৮

বুদ্ধদেব বসু'র 'তিথিডোর'

সোমবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭

919659121_1505102845.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
বুদ্ধদেব বসু আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা, যুগস্রষ্টা কবি, নাট্যকার, বিশ্বসাহিত্যের অনুবাদক, ঔপন্যাসিক ও প্রাজ্ঞ প্রবন্ধকার শুধু নন, তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের বাঙালির মননচর্যা ও নন্দনভাবনার উজ্জ্বলতম প্রতিভু। তার অসাধারণ একটি উপন্যাস 'তিথিডোর'।

কাহিনী সংক্ষেপঃ
রাজেনবাবুর ঘর আলো করে আসে ফুটফুটে এক মেয়ে। শৌখিন রাজেনবাবু শখ করে মেয়ের নাম রাখেন শ্বেতা। এরপর একে একে মহাশ্বেতা, সরস্বতী, শাশ্বতী, স্বাতী আর এক পুত্র বিজনের জনক হন তিনি। পাঁচ মেয়েই তার সুন্দরী।

বড় চারজনের বিয়ে হয়ে যাবার পর বিপত্মীক রাজেনবাবুর প্রায় সবটা জুড়ে থাকে তার সবচেয়ে ছোট এবং সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে স্বাতী। ক্রমে সেও বড় হয়। কলেজে ভর্তি হয়। সখ্য গড়ে ওঠে কলেজের নবীন প্রফেসর সত্যেন রায়ের সঙ্গে।

সত্যেন রায়, ঘরকুনো এবং অমিশুক স্বাতীকে যিনি বইয়ের পাতার মধ্য দিয়ে চিনতে শিখিয়েছেন বাইরের জগৎটাকে। ছাত্রী শিক্ষক সৌহার্দ্যের সম্পর্কটা ক্রমে সাধারণের চেয়ে একটু বিশেষ কিছু হয়ে ওঠে। অকস্মাৎ স্বাতীর জীবনে আবির্ভাব হয় আরেকজনের। দাদার বন্ধু প্রবীর মজুমদার। নিজ চেষ্টায় নেই থেকে বিত্তশালী হয়ে ওঠা একজন মানুষ।

দোটানায় পড়ে যায় স্বাতী। দোটানায় পড়েন রাজেনবাবু এবং স্বাতীর দাদা-দিদিরা। দুই পাণিপ্রার্থীর মধ্যে শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যের শিঁকে ছিঁড়বে?

স্বাতী মিত্র নামটি শেষ পর্যন্ত বদলে কি হবে-- স্বাতী রায় নাকি স্বাতী মজুমদার? জানতে হলে পড়তে হবে বইখানা।

ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৫৪৫ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন