সর্বশেষ
শনিবার ৬ই মাঘ ১৪২৪ | ২০ জানুয়ারি ২০১৮

শরৎ এ ফুটেছে কাশফুল

সোমবার ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৭

1260157652_1505120683.jpg
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
কখনো অবিরাম বৃষ্টি, কখনো বা থেমে থেমে বৃষ্টি, কখনো ঝম-ঝমিয়ে একেবারে ছালফাটা বৃষ্টি। শ্রাবণ মাস শেষে ভাদ্র মাসের শুরুতে তথা শরতের আগমনে বর্ষা ঋতুকে বিদায় জানিয়ে প্রকৃতি বরণ করতে চলেছে শরৎকালকে।

শরৎকে বলা হয় শুভ্রতার প্রতীক। শিউলি ফুল, স্বচ্ছ আকাশ, মায়াবী জ্যোৎস্নার কারণেই এমন নাম হয়েছে। তবে এর মধ্যে অন্যতম কাশফুল। আর শরৎকে স্বাগত জানাতে মেতে উঠেছে কাশ ফুলেরা।

পর্যটন নগরী সবুজের রাজ্য শ্রীমঙ্গলের বিটিআরআই সংলগ্ন সবুজ চা বাগানের মধ্য খানে ছড়ার পাড়ে মাথা উচু করে দোল খাচ্ছে শুভ্র সাদা এই কাশফুল গুলো। সেখানে প্রকৃতির নিয়মেই তৈরি হয়েছে কাশফুলের বাগান। আর এই নজর কারা কাশ ফুলের হাতছানি মানুষের মনকে ভীষন ভাবে কাশ ফুলের দিকে টেনে নিয়ে যায়। এজন্য এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে স্থানীয়রা ছাড়াও শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে আসা পর্যটকরা প্রতিনিয়ত ভীড় জমাচ্ছে সেখানে।

নদীর ধার, জলাভূমি, চরাঞ্চল, শুকনো রুক্ষ এলাকা, পাহাড় কিংবা গ্রামের কোনো উঁচু জায়গায় কাশের ঝাড় বেড়ে ওঠে। বাংলা সাহিত্যে কাশবনের বহু বর্ণনা পাওয়া যায়। কাশফুলের জাত ভাইয়ের নাম কুশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পুরাণ-এ কুশের স্থান খুব উঁচুতে। সাহিত্যে কাশফুলের কথা নানাভাবে এসেছে। রবীন্দ্রনাথ প্রাচীন গ্রন্থ কুশজাতক কাহিনী অবলম্বন করে শাপমোচন নৃত্যনাট্য রচনা করেছেন।

কাশফুলের ইংরেজী নাম Kans Grass ও উদ্ভিদতাত্ত্বিক বৈজ্ঞানিক নাম - Saccharum Sportaneum। এটি ঘাসজাতীয় জলজ উদ্ভিদ। কাশফুলের মঞ্জুরী দন্ড ১৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার লম্ব হয়ে থাকে, বীজে সুক্ষ্ম সাদা লুম থাকে। কাশ উদ্ভিদ প্রজাতির, উচ্চতায় তিন মিটার থেকে পনের মিটার লম্বা হয়ে থাকে। আর এর শেকড় গুচ্ছমূল থাকে। পাতা রুক্ষ ও সোজা।

পালকের মতো নরম এর সাদা সাদা ফুল। কাশ ফুল শুভ্রতার অর্থেও ভয় দূর করে শান্তি বার্তা বয়ে আনে। আর এ জন্যই শুভ কাজে ব্যবহার করা হয় কাশফুলের পাতা বা ফুল।

ঢাকা, সোমবার ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি 102 বার পড়া হয়েছে