সর্বশেষ
বুধবার ৩রা মাঘ ১৪২৪ | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮

জেনে নিন ঘাড়ে-পিঠে ব্যাথার কারণ ও প্রতিকার

সোমবার ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৭

11656783_1505131927.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
ঘাড়ে, পিঠে ব্যাথায় আজকাল অনেকেই কাবু হচ্ছেন৷

এই ব্যাথার অন্যতম প্রধান কারণ হল সার্ভিকাল স্পন্ডিলোসিস- এমনটাই বলছেন চিকিৎসকেরা।

মেরুদন্ডের ক্ষয় রোগ হল স্পন্ডিলোসিস আর মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশের ক্ষয়কে বলে সার্ভিকাল স্পন্ডাইলোসিস। আমাদের মেরুদণ্ড গঠিত হয় হাড়, মাংশপেশী, হাড়ের জোড়া ইত্যাদি নিয়ে। সার্ভিক্যাল স্পন্ডিলোসিসে হল একটি বয়স বৃদ্ধিজনিত রোগ। স্পন্ডিলোসিসের পরিবর্তন শুরু হয় ৪০ বৎসর বয়সের পর থেকে যদিও কোনও কোনও ক্ষেত্রে তার আগেও শুরু হয় হাড়ের ক্ষয়। পুরুষ বা মহিলা উভয়ই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন৷

সাধারণত ঘাড়ের ঝাঁকুনি, ঘাড় সামনে ঝুঁকিয়ে কাজ করতে হয় এমন সব পেশার মানুষদের এ রোগটি বেশী দেখা যায়।

লক্ষণ: ঘাড়, পিঠের উপরের অংশ এবং বাহুতে চাপ দিলে ব্যাথা অনূভুত হয়। ঘাড়ের স্বাভাবিক নড়াচড়া ব্যাহত হয়।

অন্যান্য পরীক্ষা: রক্তের গ্লুকোজ, প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা।

বিশেষ পরীক্ষা: ঘাড়ের এম আর আই, ইলেক্ট্রোমায়োগ্রাফি।

চিকিৎসা:-

১) ওষুধ- ব্যাথার ঔষধ, মাংশপেশী শিথিল করার ঔষধ, দুশ্চিন্তা কমানোর ঔষধ।

২)ফিজিওথেরাপী- ঘাড়ের টানা বা সার্ভিক্যাল ট্রাকশান, শর্ট ওয়েভ ডায়াথার্মি, ম্যাসাজ, ট্রান্সকিঊটেনিয়াস ইলেক্ট্রিক নার্ভ স্টিমুলেশান।

এক্ষেত্রে উপদেশ:-

শক্ত সমান বিছানায় এক বালিশে চিত হয়ে ঘুমাতে হবে।

ঘুমানোর সময় ঘাড়ের নিচে বালিশ দিতে হবে।

দরকার হলে বালিশ নিচে টেনে নামিয়ে ঘাড়ের নিচে নেবেন বা কম উচ্চতার বালিশ ব্যবহার করবেন।

ঘাড় সামনে ঝুঁকিয়ে বেশিক্ষন কাজ করা যাবেনা।

কাজের জায়গায় চেয়ার টেবিল এমন ভাবে রাখবেন যাতে ঘাড় সামনে না ঝুকিয়ে কাজ করতে না হয়।

ব্যথা বেশি হলে ঘাড়ে হালকা গরম সেক দিতে পারেন।

এসময় ঘাড়ের ব্যয়াম বেশ আরাম দেবে।

সার্ভিক্যাল কলার ব্যবহার করা হবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর দরকার আছে।

ঢাকা, সোমবার ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // জেড ইউ এই লেখাটি 12 বার পড়া হয়েছে