bdlive24

আমি মৃণালিণী নই: হরিশংকর জলদাস

মঙ্গলবার অক্টোবর ০৩, ২০১৭, ১২:০৬ পিএম.


আমি মৃণালিণী নই: হরিশংকর জলদাস

বিডিলাইভ ডেস্ক: ভবতারিণী থেকে মৃণালিনী হয়ে উঠার গল্পই 'আমি মৃণালিণী নই'। কথাসাহিত্যিক হরিশংকর জলদাসের উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথের সহধর্মিণী ভবতারিণীর বয়ানে বিয়ের দিন থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সময়ের ঘটনার পর ঘটনা প্রায় অনুপুঙ্খ বিবরণ সমেত তুলে ধরেছেন।  

পুরো উপন্যাসে এসব কথাই ডায়েরি আকারে লেখেন মৃণালিনী তথা ভবতারিণী। হরিশংকর বাবুর প্রসাদগুণসম্পন্ন লেখনীর গুণে সেই ডায়েরি হয়ে উঠেছে এক নারীর দলিত ব্যক্তিসত্তার দুক্ষ ভারাক্রান্ত দিনলিপি।

কাহিনী সংক্ষেপ:
রবীন্দ্রনাথের সংসার জীবন যখন শুরু হয়, তখন তিনি বাইশ বছরের যুবক। বাইশ বছর বয়সে যশোরের ফুলতলি গ্রামের নয় বছরের মেয়ে ভবতারিণীকে বিয়ে করেন তিনি। সেই ভবতারিণীই আমাদের মৃণালিনী। বিয়ের রাতে রবি ঠাকুর তার স্ত্রী ভবতারিণীর নাম বদলে মৃণালিনী রাখেন।

'মৃণালিনী অর্থ পদ্ম আর রবি মানে সূর্য। ভোরবেলার সূর্যের আলো পদ্মের উপর পড়লে পদ্ম পূর্ণভাবে বিকশিত হয়। রবি ছাড়া মৃণালিনী যেমন অপ্রস্ফুটিত থাকে তেমনি মৃণালিনীবিহীন রবিও অপূর্ণ।'

মাত্র নয় বছরে মৃণালিনী জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়ির বউ হয়ে আসেন। সেই ছোট্ট বালিকাটিকে ভবতারিণী থেকে রবি ঠাকুরের মৃণালিনী করার দায়িত্ব নেন রবীন্দ্রনাথের মেজো বৌদি জ্ঞানদা দেবী।

পড়াশোনা শিখানো থেকে শুরু করে শাড়ি পড়া শিখানো- সবকিছু ঘষে মেজে তৈরি করে দেন জ্ঞানদা বৌদি। একটা সময় এই মৃণালিনীই হয়ে যান বাড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।

দীর্ঘ এই সংসার জীবনে পাওয়া না পাওয়া, পূর্ণ অপূর্ণ সমস্ত কথা লিখে রেখে গেছেন মৃণালিনী। শুধু তার নিজের কথাই না জ্ঞানদা বৌদিসহ অনেকের কথাই লিখে গেছেন। এমনকি কাদম্বরী দেবীর কথাও বাদ দেননি তিনি।

এই লেখায় যেমন তুলে ধরেছেন তিনি ঠাকুর বাড়ির আধুনিকতা তেমনি কুসংস্কারাচ্ছন্ন দিকটি তুলে ধরতেও দ্বিধা করেননি। মৃণালিনীর সেই আত্মকথন নিয়েই লেখা 'আমি মৃণালিনী নই'।


ঢাকা, অক্টোবর ০৩(বিডিলাইভ২৪)// এস আর
 
        print

এই বিভাগের আরও কিছু খবর







মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.