bdlive24

বাংলা সিনেমাকে বদলে দেবে ‘ঢাকা অ্যাটাক’

বৃহস্পতিবার অক্টোবর ০৫, ২০১৭, ০৯:৪০ পিএম.


বাংলা সিনেমাকে বদলে দেবে ‘ঢাকা অ্যাটাক’

বিডিলাইভ রিপোর্ট: বাংলাদেশের প্রথম অ্যাকশন থ্রিলার মুভি বলে দাবিকৃত 'ঢাকা অ্যাটাক' সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। অনেক প্রতিবন্ধকতা উৎরে নির্মিত এ সিনেমার গল্প লিখেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি সানী সানোয়ার, পরিচালনা করেছেন দীপঙ্কর দীপন।

প্রায় তিন বছর ধরে চলেছে এ সিনেমার কাজ। যৌথ প্রযোজনায় সিনেমা নির্মাণ নিয়ে যখন পুরো চলচ্চিত্র পাড়ায় অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে সেই মুহূর্তে বিগ বাজেটের এ সিনেমার নির্মাণকারী দীপনের মন্তব্য দেশে ২০টি সিনেপ্লেক্স তৈরি হলে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের চলচ্চিত্রকে একেবারেই পাল্টে দিতে পারবেন তিনি। সিনেমাটির ‍মুক্তি ও নির্মাণের নানা বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।

দীপঙ্কর বলেন, বাংলাদেশের প্রথম পুলিশি অ্যকশন থ্রিলার সিনেমা হচ্ছে ঢাকা অ্যাটাক। যেহেতু দেশে এই ধরনের সিনেমা একেবারেই প্রথমবার নির্মিত হলো সেজন্য বেশকিছু প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়েছে আমার টিমকে। সিনেমাটির কাজ করতে গিয়ে অনেক জায়গাতে থেমে গিয়েছিলাম, নতুন অনেক কিছুই শিখতে পেরেছি।

সিনেমাটি নির্মাণ করতে গিয়ে অনেক ধরনের প্রতিবন্ধকতায়ও পড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছেন দীপঙ্কর। বললেন, সিনেমাটি যেহেতু বিশাল পরিসরে নির্মিত হয়েছে তাই অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। সকল সমস্যাকে উৎরে গিয়ে আমাদের কাজ এগিয়ে নিতে হয়েছে। সিনেমার কাজ করতে গিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হওয়ায় আমাদের প্রায় তিন বছর সময় লেগেছে। এই সমস্যাগুলো না থাকলে আমরা হয়তো এক বছরের মধ্যেই সিনেমাটির নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারতাম।

সিনেমাটি নির্মাণে অনেক বেশি খরচ হওয়ায় টাকার জন্যও বেশ কয়েকবার সিনেমাটির নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল বলে জানান দীপঙ্কর বলেন।

তিনি বলেন, কয়েকবার আমাদের বাজেট শেষ হয়েছে গিয়েছিল। আমরা টাকা ম্যানেজ করেছি, এরপর আবার সিনেমার কাজ শুরু হয়েছে। বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণে অনেকের মধ্যে যে শঙ্কা রয়েছে আমারা সেগুলোকে ছাপিয়ে গিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করেছি এবং এটা নিয়ে আমরা বেশ আশাবাদীও।

পুলিশের পেশাগত জীবন, বিভিন্ন জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং পুলিশের স্পেশাল টিমের কিছু ঝুঁকিপূর্ণ এবং বাস্তবভিত্তিক বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সিনেমায়। তাই কাহিনীর প্রেক্ষাপটের জন্য লোকেশন নির্বাচনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মত তার।

তিনি বলেন, ‘লোকেশন নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের গুরুত্বটা আলাদা ছিল। প্রেক্ষাপটের জন্য আমাদের অনেক জায়গাতেই যেতে হয়েছে। দেশের বাইরে সিনেমার কিছু অংশ শুটিং হয়েছে।’

সিনেমাটির গান, ট্রেইলার ও পোস্টার- সবগুলোতেই দর্শকদের বিপুল সাড়া ছিল জানিয়েছেন দীপঙ্কর। বলিউডের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী অরিজিৎ সিং ও সোমলতার কণ্ঠে গাওয়া ‘টুপ টাপ’ গানটি দর্শকদের মধ্যে যেমন সাড়া ফেলেছে তেমনি সিনেমার অন্যান্য গানগুলোও অসাধারণ ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘দর্শকদের সামনে যেটা নিয়ে আসা হচ্ছে সেটাতেই তারা বেশ সাড়া দিচ্ছেন। আশা করা যাচ্ছে সিনেমাটি দেখার পর তাদের থেকে আরও ভালো রেসপন্স পাওয়া যাবে।’

সিনেমাটি নির্মাণ করতে গিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার কথাও জানান দীপন।

বাংলা সিনেমার বর্তমান অবস্থান নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণের কথা খুব সন্তর্পণে এড়িয়ে গেলেন দীপঙ্কর। তবে সহযোগিতা পেলে সিনেমাকে বদলে দিতে পারবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দর্শকরা ভালো সিনেমা দেখতে চান। দর্শকদের চাহিদা অনুযায়ী সিনেমা নির্মাণ করা গেলে তারা সেটাকে গ্রহণ করবেন। আমি চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলতে পারি দেশে ২০টি সিনেপ্লেক্স নির্মিত হলে আগামী তিন বছরের মধ্যে বাংলা সিনেমাকে একেবারেই বদলে দিতে পারব আমি।’

সূত্র: সময় নিউজ



ঢাকা, অক্টোবর ০৫(বিডিলাইভ২৪)// এ এম
 
        print



মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.