bdlive24

সাবরা-শাতিলা গণহত্যা: পাখির মত হত্যা করেছিল ফিলিস্তিনিদের

বুধবার অক্টোবর ১১, ২০১৭, ০৬:৩৪ পিএম.


সাবরা-শাতিলা গণহত্যা: পাখির মত হত্যা করেছিল ফিলিস্তিনিদের

বিডিলাইভ ডেস্ক: আশির দশকে লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় এক ভয়ংকর হত্যাযজ্ঞ স্তম্ভিত করেছিল গোটা বিশ্বকে। বৈরুতের এক ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ঢুকে খ্রীষ্টান মিলিশিয়ারা হত্যা করেছিল শত শত ফিলিস্তিনিকে। ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন অনেক ফিলিস্তিনি নারী। সাবরা এবং শাতিলা শরণার্থী শিবিরে সেসময় একজন চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেছেন ড: সুই অ্যাং।

বিবিসির লুই হিডালগোর কাছে তিনি বর্ণনা করেছেন এই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা:

১৯৮২ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বর। বৈরুতের সাবরা আর শাতিলা শরণার্থী শিবিরে ঘটে যাওয়া ভয়ংকর হত্যাকান্ডের খবর প্রকাশ হতে শুরু করেছে। শিবিরের সর্বত্র ফিলিস্তিনি নারী-শিশু-পুরুষের লাশের স্তুপ। চারিদিকে কেবল লাশের মিছিল।

সেই দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। লেবাননের খ্রীষ্টান মিলিশিয়া গোষ্ঠী ফ্যালাঞ্জেস তখন বৈরুতের সাবরা এবং শাতিলা শরণার্থী শিবিরে ঢুকে পড়েছে। শনিবার সকালে যখন তারা সেখান থেকে বেরিয়ে গেল, ততক্ষণে শিবিরের অন্তত আটশো, কোন কোন হিসেবে প্রায় দু হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে তাদের বাড়ীঘর।

শরণার্থী শিবিরে এই হত্যাযজ্ঞের প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন ডা: সুই আ্যং। তখন তিনি সেখানকার একটি হাসপাতালে কর্মরত। যেভাবে শত শত নারী-শিশু-পুরুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে, সেটা দেখে তিনি আর চুপ থাকতে পারেন নি।

"শেষ পর্যন্ত আমিই হচ্ছি তাদের কন্ঠস্বর। আমাকে শেষ পর্যন্ত তাদের কথা বলে যেতেই হবে। কারণ সেখানে ধ্বংসস্তুপের নিচে কবর দেয়া হয়েছে যাদের, তারা তো কথা বলতে পারছে না। যারা বেঁচে গিয়েছিল, তাদের জীবন তো তছনছ হয়ে গেছে।"

গণহত্যার সময় বৈরুতের ঐ অংশটি নিয়ন্ত্রণ করছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। লেবাননের খ্রীষ্টান মিলিশিয়াদের কেন তারা শিবিরে ঢুকতে দিয়েছিল, সে প্রশ্ন উঠেছিল। এই হত্যাকান্ডের ব্যাপারে খোদ ইসরায়েলে যে তদন্ত হয়, তাতে এই কারণে পরোক্ষভাবে ইসরায়েলি বাহিনী এবং দেশটির তৎকালীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এরিয়েল শ্যারনকে দায়ী করা হয়।

ঘটনার পর সেদিন লাশের স্তুপের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে ডা: সুই অ্যাং নিহতদের মধ্যে খুঁজে ফিরেছেন পরিচিত জনের মুখ।

"আমি এই লাশের স্তুপের মধ্যে আমার বন্ধুদের কেউ আছে কিনা তা দেখার চেষ্টা করছিলাম। আমি কি এই মানুষটাকে চিনি? আমি কি একে চিনতে পারছি? সেখানে লাশের ওপর লাশ পড়েছিল। একটার ওপর একটা লাশ যেন শুইয়ে রাখা হয়েছে।"

ড: সুই অ্যাং একজন অর্থোপেডিক সার্জেন। জন্মসূত্রে সিঙ্গাপুরের নাগরিক। কিন্তু ১৯৭৭ সালে তিনি লন্ডন চলে আসেন। লেবাননের গৃহযুদ্ধের ভয়ংকর দৃশ্য দেখে বিচলিত হয়ে পড়েন সুই। তখন তিনি এই গৃহযুদ্ধের শিকার মানুষদের সাহায্য করতে সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

"আমি বেড়ে উঠেছি কঠোর মৌলবাদী খ্রীষ্টান হিসেবে। আমি সব সময় ইসরায়েলকে সমর্থন করতাম। ১৯৮২ সালে আমি লন্ডনে সেন্ট থমাস হাসপাতালে কাজ করছিলাম। একদিন কাজ শেষে ঘরে ফিরে টেলিভিশনে দেখলাম, বৈরুতে আকাশ থেকে বোমা বর্ষণ করা হচ্ছে। যেরকম ধর্মীয় আবহে আমি বড় হয়েছি, এরকম একটা সময়ে আমি সাড়া না দিয়ে পারলাম না। ক্রিশ্চিয়ান এইড নামের একটি সাহায্য সংস্থা বৈরুতে আহতদের চিকিৎসা করতে পাঠানোর জন্য একজন অর্থোপেডিক সার্জন খুঁজছিল। আমার মনে হলো, আমার সাড়া দেয়া উচিত।"

১৯৮২ সালের সেই গ্রীষ্মে পশ্চিম বৈরুত দশ সপ্তাহ ধরে অবরোধ করে রেখেছিল ইসরায়েলি সেনারা। প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গেনাইজেশন বা পিএলওর সদর দফতর তখন পশ্চিম বৈরুতে। পিএলও তখন লেবাননের ভেতর থেকে উত্তর ইসরায়েলে হামলা চালাচ্ছে। এদের হামলার জবাবে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে অভিযান চালায়। এরই মধ্যে লন্ডনে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে হত্যার চেষ্টা চলে। ক্রুদ্ধ ইসরায়েল বৈরুতে সর্বাত্মক হামলা চালায়। পুরো নগরী অবরুদ্ধ করে রাখে। চাপের মুখে বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত পিএলওকে লেবানন ছাড়ার ঘোষণা দিতে হয়। লেবাননের গৃহযুদ্ধ অবসানে মার্কিন মধ্যস্থতায় একটা চুক্তি হয়। যুদ্ধবিরতিতে রাজী হয় সব পক্ষ। সেরকম এক যুদ্ধবিরতির সময় বৈরুতে এসে পৌঁছান সুই অ্যাং।

"আমি যেসব বন্ধুদের সঙ্গে বেড়ে উঠেছি, তাদের বেশিরভাগই ছিল ইসরায়েলের সমর্থক। সুতরাং সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে আমার ধারণা ছিল, ফিলিস্তিনিরাই সব গন্ডগোলের মূল। সুতরাং তারা যদি লেবানন ছেড়ে যায়, সেখানে শান্তি ফিরে আসবে। আমার ধারণা ছিল ইসরায়েল আর ফিলিস্তিনিদের এই লড়াইয়ে লেবাননের সাধারণ মানুষদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। কাজেই ফিলিস্তিনিরা চলে গেলে তারা আবার নতুন করে তাদের জীবন শুরু করতে পারবে।"

সাবরা এবং শাতিলা শরণার্থী শিবিরের ভেতরে পিএলওর একটি হাসপাতাল ছিল। সেই গাজা হাসপাতালে কাজ করতে পাঠানো হলো সুই অ্যাং-কে। সেখানে কাজ করতে গিয়ে প্রথম কয়েক সপ্তাহ তার মধ্যে এক ধরণের আশাবাদ কাজ করেছিল। তার মনে হয়েছিল যুদ্ধ বোধহয় শেষ হতে চলেছে।

"কারণ অনেক পশ্চিমা দেশ সেই প্রথম একযোগে বলছিল, এই সমস্যা সমাধানে আমাদের কিছু একটা করতে হবে। শরণার্থীদের রক্ষা করতে হবে। আর একই সময়ে লেবাননের সরকারও বলছিল, আমরা সর্বত্র এই অস্ত্রের ছড়াছড়ি দেখতে চাই না। সব মিলিশিয়া বাহিনীকে আমাদের নিরস্ত্র করতে হবে। তারা বলছিল, এটা কেবল ফিলিস্তিনিদের বেলায় নয়, লেবাননীদের বেলায়ও প্রযোজ্য। সেসময় মায়েরা তাদের ছেলেদের কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নিচ্ছিল এবং সেগুলো নির্দিষ্ট এলাকায় গিয়ে জমা দিয়ে আসছিল। আর বোমায় বাড়িঘর বিধ্বস্ত হওয়ার পর যারা লুকিয়ে ছিল, তারা ফিরে আসছিল নতুন করে জীবন শুরুর জন্য।"

কিন্তু এই শান্তি খুব বেশিদিন থাকেনি। পিএলও যখন বৈরুত ছাড়ছিল, তখন তা তদারকীর জন্য বহুজাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পিএলও বৈরুত ছাড়ার এক সপ্তাহের মধ্যে এই বহুজাতিক বাহিনীও বৈরুত ছাড়লো। আর ঠিক চারদিন পর, ১৪ই সেপ্টেম্বর লেবাননের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী খ্রীষ্টান মেরোনাইট নেতা বশির জামায়েলকে হত্যা করা হলো। তিনি ছিলেন ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র, কাজেই সবাই এজন্যে ফিলিস্তিনিদের সন্দেহ করা হচ্ছিল।

"চারিদিকে গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল যে ফিলিস্তিনিরাই এই কাজ করেছে। পরের দিন ভোর পাঁচটার দিকে আমাদের ঘুম ভেঙ্গে গেলে ইসরায়েলি যুদ্ধ বিমানের গর্জনে।''

সুই ইয়াং সেদিনও তার হাসপাতালে গেলেন। সেখানে আরও প্রায় বিশ জন বিদেশী কাজ করছিলেন। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন কিছু লেবাননী এবং ফিলিস্তিনি কর্মী। হাসপাতালে কাজ করতে করতে তাদের কানে আসতে শুরু করলো বিস্ফোরণের শব্দ।

"আমার প্রথমে মনে হয়েছিল বিমান থেকে বোমা ফেলা হচ্ছিল। আসলে তা নয়। আমরা আসলে ট্যাংকের গোলা বর্ষণের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। বৈরুতে ট্যাংকবহর ঢুকছিল। ট্যাংকের একটা বহর সাবরা ও শাতিলা শিবিরে আসলো। রাত ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ট্যাংকের গোলাবর্ষণ আরও তীব্র হয়ে উঠলো। ততক্ষণে আমরা বুঝে গেছি, আমাদেরকে ইসরায়েলি ট্যাংক ঘিরে ফেলেছে।"

পরের দিন, ১৬ ই সেপ্টেম্বর হাসপাতালে আহত মানুষ আসতে শুরু করলো।

"আহতদের বেশিরভাগই মহিলা। তাদের শরীরে মেশিনগানের গুলির আঘাত। তাদের ওপর মেশিনগানের গুলি চালানো হয়েছে। মুখের ভেতর, মাথায়, হাতে, পায়ে গুলি করা হয়েছে। যারা গুলি খেয়েও বেঁচে গিয়েছিল, তারা আমাকে বলেছিল, প্রতিদিনের মতো সেদিন ভোর পাঁচটায় বা সাড়ে পাঁচটায় উঠে পানি সংগ্রহ করতে গিয়েছিল। তখন বন্দুকধারীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি করছিল। বিকেল নাগাদ সশস্ত্র লোকজন শরণার্থীদের ঘরে ঘরে গিয়ে পুরো পরিবারকে গুলি করছিল।"

এই বন্দুকধারীরা কারা ছিল?

"তারা বলছিল, রহস্যময় বন্দুকধারীরা এসে তাদের ঘরে ঢুকেছিল। ফিলিস্তিনি নার্সদের কেউ কেউ ইংরেজী বলতে পারতো। আমি তাদের বলেছিলাম জিজ্ঞেস করতে, এই বন্দুকধারীরা কি ইসরায়েলি? তারা বলেছিল, না, না, না।"

এরা ছিল আসলে লেবাননি খ্রীষ্টান মিলিশিয়া। তাদের নেতা বশির জামায়েল হত্যার প্রতিশোধে তারা উন্মত্ত হয়ে উঠেছিল। পুরো হাসপাতালে তখন মাত্র দুজন সার্জন। সুই ইয়াং এবং আরেকজন নরওয়েজিয়ান ডাক্তার। সারারাত ধরে হাসপাতালের বেজমেন্টের একটি রুমে তারা আহত রোগীদের ওপর অপারেশন চালিয়ে গেলেন।

"ততক্ষণে হাসপাতালে আরও বহু আহত শরণার্থী এসে পৌঁছেছে। হাসপাতালের সিঁড়ি থেকে শুরু করে সর্বত্র এরকম লোকজনে ভর্তি। জরুরী অপারেশন দরকার, এমন বহু মানুষের ভিড় জমে গেছে। ততক্ষণে হাসপাতালে রক্তও ফুরিয়ে গেছে।"

১৭ ই সেপ্টেম্বরের ভোর নাগাদ, হাসপাতালে আশ্রয় নেয়া আহত মানুষের সংখ্যা দাঁড়ালো দুহাজারে। হাসপাতালে তখন রক্ত থেকে শুরু করে খাদ্য, সব কিছুর সংকট। হেড নার্সকে পাঠানো হলো জরুরী সাহায্য আনার জন্য। কিন্তু তিনি ফিরে এসে জানালেন, মিলিশিয়ারা সাবরা ও শাতিলা শিবিরের বাইরে আরেকটি হাসপাতালে ঢুকে সেখানে সব স্টাফ এবং রোগীকে হত্যা করেছে। নার্সদের ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও শোনা যাচ্ছে। এ অবস্থায় সবাইকে হাসপাতাল ছাড়তে বলা হলো। অনেকে চলে গেল। কিন্তু সুই অ্যাং এবং কয়েকজন বিদেশী হাসপাতালে রয়ে গেলেন। সেদিনের রাতটা ছিল তুলনামূলকভাবে শান্ত। পরদিন ১৮ই সেপ্টেম্বর মিলিশিয়ারা গাজা হাসপাতালে আসলো।

"একজন অফিসার, তিনি জোরে চিৎকার করে বললেন, এখানে যারা যারা বিদেশি, তারা বেরিয়ে আসো। তারপর তিনি বললেন, ডাক্তার, ভয় পাবেন না। আমরা লেবাননী। তাদের হাতে ছিল মেশিনগান। কাজেই এখানে আর তর্ক করার কোন সুযোগ নেই। কাজেই আমরা শরণার্থী শিবিরের মূল রাস্তা ধরে হাঁটতে শুরু করলাম। এই প্রথম আমি হাসপাতালের বেজমেন্ট থেকে বেরিয়ে এসে বাইরের অবস্থা দেখার সুযোগ পেলাম। আমরা দেখলাম সৈন্যরা নারী, শিশু, পুরুষ, সবাইকে দলে দলে বেঁধে নিয়ে এসেছে। তখন আমার মনে হলো, এরা কি সবাইকে গুলি করে মেরে ফেলতে যাচ্ছে? আমরা যখন হাঁটছি, তখন রাস্তার ধারে এক মহিলা আমাকে চিনতে পারলো। সে তার শিশুটিকে আমার কাছে দেয়ার চেষ্টা করছিল। তার মুখ, চোখের চাহনি দেখে আমার মনে হচ্ছিল, তাকে যে মেরে ফেলা হবে, সেটা সে বুঝতে পেরেছিল। তার বাচ্চাটা আমার নেয়া উচিত। কিন্তু সৈন্যরা এতে বাধা দিল। আমাদেরকে ধাক্কা দিয়ে সামনে আগাতে বলা হলো। যেতে যেতে আমি রাস্তার দুধারের গলির দিকে তাকাচ্ছিলাম। সেখানে অনেক মৃতদেহ পড়েছিল। রাস্তার একেবারে মাঝখানে পড়েছিল একটা মৃতদেহ। সৈন্যরা আর মিলিশিয়ারা আমাদের ধাক্কা দিচ্ছিল সামনে বাড়ার জন্য। এই মৃতদেহের ওপর প্রায় হুমড়ি খেয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছিলাম আমি। আমার মনে হলো আমি লোকটাকে চিনি। আমি তার মুখ দেখার চেষ্টা করছিলাম। তখন আমি খেয়াল করলাম, মৃত লোকটার দুচোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে।"

সু এবং তার সহকর্মী ডাক্তাররা মুক্তি পেয়েছিলেন এক ইসরায়েলি জেনারেলের হস্তক্ষেপে। এই গণহত্যার খবর যখন ছড়িয়ে পড়ে, তখন বিশ্ব জুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ইউরোপে, ইসরায়েলে বড় বড় বিক্ষোভ হয়। মৃতদেহের সংখ্যা গুনতে বহুদিন সময় লেগেছিল। কত মানুষকে সেসময় হত্যা করা হয়েছিল, সেই সংখ্যা নিয়ে এখনো বিতর্ক চলছে। সাবরা আর শাতিলা শরণার্থী শিবিরে এই গণহত্যার জন্য কারও কোন সাজা হয়নি।

ডা: সুই ইয়াং এখনো লন্ডনে একজন অর্থোপেডিক সার্জন হিসেবে কাজ করেন। তিনি এবং তার স্বামী মিলে সাবরা এবং শাতিলা শিবিরের ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি সাহায্য সংস্থা গঠন করেছেন।


ঢাকা, অক্টোবর ১১(বিডিলাইভ২৪)// কে এইচ
 
        print



মোবাইল থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
android iphone windows




bdlive24.com © 2010-2014
Powered By: NRB Investment Ltd.