সর্বশেষ
বুধবার ৩রা মাঘ ১৪২৪ | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮

গোদ রোগের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

সোমবার ১৬ই অক্টোবর ২০১৭

1117575161_1508136448.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
গোদ রোগ বা ফাইলেরিয়াসিস এক প্রকার পরজীবী ঘটিত রোগ। এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের সংক্রামক রোগ যা সূতার মতো একজাতের (ফাইলেরিওয়ডিয়া Filarioidea পরিবারভুক্ত নিমাটোড) গোলকৃমি দ্বারা সংঘটিত হয়।

উচেরেরিয়া ব্যানক্রফটি নামক জীবাণু এই রোগের জন্য দায়ী। মূলত কিউলেক্স মশার কামড়ে এই জীবাণু মানুষের শরীরে প্রবেশ করে তবে অ্যানোফিলিস ও এডিস মশার কামড়ে ও এই পরজীবীর জীবাণু মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

লক্ষণ:
প্রথমে অল্প মাত্রার জর সেই সাথে লিম্ফ নালী বরাবর ব্যথা এবং লাল হয়ে যাওয়া। কিছুদিন পরে আক্রান্ত অঙ্গ ফুলে যায় এবং এটা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে যা এক সময় বিশাল আকৃতি ধারণ করতে পারে। সাধারণত পা, অণ্ডকোষ সহ অন্যান্য অঙ্গ ও এতে আক্রান্ত হতে পারে। মেয়েদের ক্ষেত্রে স্তনের চামড়া ফুলে পুরু হয়ে খসখসে হয়ে উঠে। দেখতে হাতির চামড়ার মত মনে হয় বলে গোদ রোগের অন্য নাম এলিফ্যানটিয়াসিস।

পরীক্ষা:
রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি অথবা লিম্ফ নোড কালচার করে এর জীবাণু নিশ্চিত করা যায়।

চিকিৎসা:
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডাইইথাইল কার্বামাজেপিন নামক ঔষধ সেবন করতে হয়। ২ বছরের কম শিশুদের ও গর্ভবতী মহিলাদের এই ঔষধ সেবন করা যাবে না।

প্রতিরোধ:
মশা নিধন করতে হবে, ঘুমানোর সময় মশারী ব্যবহার করা উচিত।

ঢাকা, সোমবার ১৬ই অক্টোবর ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি 78 বার পড়া হয়েছে