সর্বশেষ
বুধবার ১০ই মাঘ ১৪২৪ | ২৪ জানুয়ারি ২০১৮

অন্দরমহল সাজাতে ঝাড়বাতি

শুক্রবার ২৭শে অক্টোবর ২০১৭

26316555_1509092670.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
গৃহসজ্জায় ঝাড়বাতি ব্যবহার এক সময় ধনীদের বিলাসিতারই অংশ ছিল। আজকাল মধ্যবিত্তরাও ঝাড়বাতির আলোয় ঘর আলোকিত করতে পিছিয়ে নেই। সবার চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে ঝাড়বাতির রঙে-রূপে-দামে। যেখানে সাধ আর সাধ্যের সহজ সমীকরণ ঘটানো দুরূহ কোনো ব্যাপার নয়।

ঝাড়বাতি ব্যবহারের আগে ব্যবহারকারীর রুচি, সামর্থ্য ও ঘরের ভেতরে ব্যবহৃত আসবাবপত্রের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। বসার ঘরই ঝাড়বাতি সেট করার উপযুক্ত স্থান। ডুপ্লেক্স বাড়ি হলে দোতলায় ওঠার সিঁড়ি বরাবর হ্যাঙ্গিং ঝাড়বাতি লাগাতে পারেন।

বসার ঘর বড় হলে বড় সাইজের ঝাড়বাতি লাগাতে পারেন। কারুকাজ খচিত ফার্নিচারের সঙ্গে কাচের তৈরি ঝাড়বাতির বেশ খাতির জমে। সোফা বরাবর বা বসার স্থানে একটি কোণা বেছে নিয়ে ছোট-বড় কয়েকটি হ্যাঙ্গিং বাতির ব্যবহার আবার ফ্যাশনেবলও বটে।

শোবার ঘরে ক্রিস্টাল ঝাড়বাতি বা ফুলেল ঝাড়বাতি সেট করতে পারেন। নানা রঙের আলোকচ্ছটা দিতে ক্যান্ডেলার ঝাড়বাতিও কিন্তু শোবার ঘরে মানানসই। দেয়াল হালকা রঙের হলে ইউনিক গ্লাসেস ঝাড়বাতি বেছে নিতে পারেন। ঘরে রোমান্টিক আলোর প্রবাহ আনতে চাইলে বাটারফ্লাই মোটিফের ক্রিস্টাল ঝাড়বাতি হতে পারে।

মাঝারি ধরনের বসার ঘরে সিলিংয়ের সঙ্গে কালার চেঞ্জিং, ফুলের নকশা বা চারকোনা আকৃতির ঝাড়বাতিও সেট করতে পারেন। দেয়ালের সঙ্গে মিলিয়ে ঝাড়বাতির রং নির্বাচন করতে পারেন। ঝাড়বাতি দেয়ালের রঙ লাইটিংকে অনেকভাবে প্রভাবিত করে।

ঢাকা, শুক্রবার ২৭শে অক্টোবর ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি 210 বার পড়া হয়েছে