সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ৪ঠা শ্রাবণ ১৪২৫ | ১৯ জুলাই ২০১৮

বিএনপির সমাবেশে দাওয়াত পায়নি শরিকরা

রবিবার, নভেম্বর ১২, ২০১৭

780221749_1510441649.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :
দেড় বছরের অধিক সময় পর রাজধানীতে বড় ধরনের সমাবেশ করতে যাচ্ছে বিএনপি। চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। কর্মসূচি সফল করতে দলটির নেতাকর্মীদের জোর প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। তবে এই সমাবেশে দাওয়াত পায়নি ২০দলীয় জোটের শরিকদলগুলো।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে ২৩ শর্তে পুলিশের লিখিত অনুমতি পায় বিএনপি। দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় থেকে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের লিখিত অনুমতি গ্রহণ করেন।
 
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি’ দিবস পালন করে আসা বিএনপি গত ৮ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায়। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) সম্মেলনের কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে ৯ তারিখের পরে বিএনপিকে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
 
শনিবার বিকেল থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মঞ্চ নির্মাণ, সাউন্ড সিস্টেমসহ ডেকোরেশনের কাজ শুরু হয়। স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, মো. শাজাহান প্রস্তুতিপর্ব পরিদর্শন করেছেন। নগর বিএনপির একাংশের কান্ডারী হাবিব উন নবী খান সোহেল সার্বক্ষনিক তদারকি করছেন।

তিনি জানান, বরাবরের মতো এবারও বিএনপি চেয়ারপারসনের সমাবেশে ৬০ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ফুট প্রস্থের মঞ্চ তৈরি হবে।
নগর বিএনপির সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মত মহাসমাবেশ আয়োজনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সোহেল।

তিনি বলেন, কর্মসূচি সফল করতে তাকে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে। শর্ত সাপেক্ষে সমাবেশের অনুমতির বিষয়টিকে তিনি অনাকাঙ্খিত এবং অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেন।
 
সোহেলের পাশে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, স্বেচ্ছাবেক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলসহ সংগঠনটির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা সার্বিক পরিস্থিতি দেখভাল করছেন।
 
রোববার বেলা ২টা থেকে সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। আগে ভাগেই সারাদেশ থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা ঢাকায় এসেছেন। আগামী নির্বাচন এবং আন্দোলন প্রশ্নে বিএনপি তাদের অবস্থান আরো স্পষ্ট করবে এমন প্রত্যাশা করছেন তারা।

এদিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোটের কয়েকটি শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, বিএনপির এই মহাসমাবেশে তারা আমন্ত্রণ পাননি। সম্প্রতি বিএনপি চেয়াপারসন খালেদা জিয়া তার কক্সবাজার সফরেও ২০ দলের শরিক নেতাদের পাশে রাখেন নি। 

ঢাকা, রবিবার, নভেম্বর ১২, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ১৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন