সর্বশেষ
বুধবার ৩রা মাঘ ১৪২৪ | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮

ফাঁন্দে পড়িয়া চিতা কান্দে রে...

বুধবার ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০১৫

942594879_1443625839.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
খিপ্র চিতাও বেকায়দায় পড়লে বিড়ালের মতো আচরণ করে। কথাটি মনে হয় সত্যিই। যার জ্বলন্ত প্রমাণ এই চিতা বাঘ।

ভারতের রাজস্থান মরুময় প্রদেশ। খরা ও মরুময়তার কারণে পানির অভাব লেগেই থাকে। পানির এই অভাবের শিকার বন্যপ্রাণীরাও। হাড়িতে পানি পান করছে চিতা।  মুখে বেঁধে যাওয়া হাড়ি নিয়ে বড্ড অসহায় হয়ে এদিক সেদিক হাঁটতে থাকে চিতা বাঘটি। এমন ঘটনা যেমন বিরল হলেও সত্যি।

কথায় বলে ‘ফাঁন্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’। এক্ষেত্রে বলতে হয় ‘... চিতা কান্দে রে।’ অসহায়ত্ব বোঝাতে এমন প্রবাদ ব্যবহার করা হলেও চিতার মুখে হাঁড়ি আটকে যাওয়ার ঘটনার পেছনে রয়েছে এক করুণ ট্রাজিডি।

ভারতের রাজস্থান মরুময় প্রদেশ হওয়ায় পানির অভাবের শিকার বন্যপ্রাণীরাও। যার জ্বলন্ত প্রমাণ হাঁড়ি মুখে আটকে যাওয়া এই চিতা বাঘটি।

রাজস্থানের রাজসামান্দ জেলার সাদুলখেরা গ্রামে একটি বাড়ির পাশে পানি পান করতে চলে আসে চিতা বাঘটি। ধারণা করা হচ্ছে, পাশের কুম্ভলগড় অভয়ারণ্য থেকে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে এটি।

লোকালয়ে পানি পেয়ে তা খাওয়ার সময় মুখ এঁটে যায় হাঁড়িটি। কোনোমতেই তা ছাড়াতে পারছিল না চিতাটি। এই অবস্থায় চিতাটিকে দেখতে লোকজন জড়ো হয়। কিন্তু পাছে কাঁমড়ে, হেঁচড়ে দেয় কি না, সেজন্য কেউ তার কাছে আসেনি। বিষয়টি স্থানীয়রা ভিডিও করে। যা পরে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু প্রাণী চিতাটিকে দেখে ভয় পেয়ে পিছু হটছে।

তবে শেষ পর্যন্ত এই অসহায় অবস্থা থেকে চিতাটিকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তারা উদ্ধার করে। ট্রাঙ্কুইলাইজার দিয়ে সেটিকে ঘুম পাড়িয়ে তার মাথা থেকে হাঁড়িটি খোলা হয়। পরে সেটিকে কুম্ভলগড় অভয়ারণ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঢাকা, বুধবার ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি 2309 বার পড়া হয়েছে