হারানো ‘মানিক’ খুঁজে পেল পাকিস্তান?
হারানো ‘মানিক’ খুঁজে পেল পাকিস্তান?

একটা সময় তার বোলিংয়ে ভেঙে পড়ত প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইন আপ। বড় ইনিংস খেলার আগে বিদায় নিতেন বিশ্বের তাবড় তাবড় ব্যাটসম্যানরা। বলছিলাম পাক তারকা পেসার মোহাম্মদ আমিরের কথা।

দারুণ সময়ের মধ্য দিয়ে পথ চলতে থাকা আমিরকে হঠাৎ থমকে দেয় ফিক্সিং। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অপরাধে ক্রিকেট থেকে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাসিত হন আমির। অসংখ্য ভক্তের চোখেমুখে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকতে হয় আমিরকে।

নিষেধাজ্ঞার খড়গ পার করে শেষমেশ গেল বছর আবারও ২২ গজে পা রাখেন আমির। হাজারো সমর্থক তার জন্য অপেক্ষা করেন, স্বপ্ন দেখেন প্রিয় খেলোয়াড় ফের বল হাতে আগুন ঝরাবেন। ধসিয়ে দেবেন প্রতিপক্ষের ব্যাটিং অর্ডারকে। কিন্তু হতাশ করলে আমির। প্রথম নয় ম্যাচে নেন ১২টি উইকেট। যা দেখে মন ভরেনি সমর্থকদের।

পরে অবশ্য সে রকম কিছু দেখতে হয়নি। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে আমিরের ধার। বল হাতে একের পর এক নৈপুণ্য দেখান তিনি। সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে আমিরের বোলিং তোপে খানখান হয়ে যায় ভারতীয় ব্যাটিং স্তম্ভ। এসেই তুলে নেন প্রথম সারির তিন তারকা ব্যাটসম্যানকে। তাতেই নুইয়ে পড়ে ভারত।

২০০৯ সালে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয় আমিরের। ওই বছর থেকে ২০১০ সালে নিষিদ্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ১৫টি ম্যাচ খেলেছেন আমির। নিয়েছেন ২৫টি উইকেট। যেখানে তার ইকোনোমি রেট ৪.৫৬।

নিষেধাজ্ঞার পর থেকে আজ অবধি আমির খেলেছে ২১টি ওয়ানডে। শিকার করেছেন ৩০টি উইকেট। যেখানে তার বোলিং ইকোনোমি রেট ৫.০৫। আমিরের শুরুর দিকের আর এখনকার বোলিং পরিসংখ্যানটা প্রায় সমান। কেবল ওভার প্রতি রান খরচের মাত্রাটা একটু বেশি। এমন উনিশ-বিশ পারফরম্যান্স দেখে বলা যায়? সেই আমিরকে খুঁজে পেল পাকিস্তান।

ঢাকা, জুন ১৯(বিডিলাইভ২৪)