অসুস্থ সমাজে নারীবাদই সবচেয়ে বড় ঔষুধ: কঙ্গনা
অসুস্থ সমাজে নারীবাদই সবচেয়ে বড় ঔষুধ: কঙ্গনা

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। বরাবরই খোলামেলা মন্তব্য করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। পুরুষ শাসিত সমাজে নারীদের ভূমিকা কি এবং যে কোনো প্রকার অসঙ্গতি নিয়ে মুখ খোলেন আপন মনে। কারো দ্বার ধারার সময়ই যেন নেই কঙ্গনার। বলিউড পরিচালক হতে শুরু করে অভিনেতা পর্যন্ত কাউকেই ছাড়েন নি রেঙ্গুন অভিনেত্রী।  

কয়েকদিন আগেও সেলিব্রেটি চ্যাট শো ‘আপ কা আদালত’য়ে সাবেক প্রেমিক আদিত্য পাঞ্চোলি ও হৃতিক রোশানকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে আলোচিত হন এ তারকা।

সম্প্রতি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাতকারে 'নারীবাদী অভিনেত্রী' হিসেবে অ্যাখ্যা পাওয়া প্রসঙ্গে মুখ খুলেন কঙ্গনা,
নারীবাদ কোনো ভুল ধারণা নয়। দীর্ঘদিন ধরে পুরুষতন্ত্র নারীদের যেভাবে গ্রাস করেছে সেটি থেকে বেরিয়ে আসার উপায় হিসেবেই আমি নারীবাদকে দেখি।

এ অভিনেত্রীর মতে, এ সমাজে অভিনেত্রীদের যৌনজীবন নিয়ে যতটা আলোচোনা হয় অভিনেতাদের নিয়ে ততটা হয় না। তাই আমি মনে করি এ অসুস্থ সমাজের জন্য নারীবাদের চেয়ে বড় কোনো ঔষুধ নেই।

একটা কথা না বললেই নয়, আমি আমার সমস্ত পরিশ্রম ও সময় দিয়ে একটি সিনেমা করবো তবে তাতে কেন আমার চরিত্রের কোনো গুরুত্ব থাকবে না? শুরু থেকেই আমি নারীপ্রধান চরিত্রে অভিনয় করে এসেছি এবং তাতে সাফল্যও পেয়েছি।

পুরুষপ্রধান চরিত্রের পাশে নারী চরিত্রে যে সিনেমাগুলোতে অভিনয় করেছি সেগুলোই ব্যবসা সফল হয়নি। ‘রেঙ্গুন’ দিয়ে সর্বশেষ আমি এটিই বুঝেছি যে, নামী-দামী তারকাদের সঙ্গে নয় বরং নারীপ্রধান, বলিষ্ঠ চরিত্রেগুলোতেই দর্শক আমাকে দেখতে ভালোবাসে।

তিনি আরও বলেন, তাই আমাকে নারীবাদী বলা হলে আমার খারাপ লাগে না। আমরা একটি অসুস্থ সমাজে বাস করি যেখানে নারীদের নিয়ে সব সময়ই নানা কুকথা প্রচার করা হয়। কিন্তু আমি এর থেকে এক চুলও নড়ব না।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে অনুরাগ বসুর 'গ্যাংস্টার' সিনেমা দিয়ে বলিউডে পা রাখেন কঙ্গনা রানাউত। এরপর 'ওয়ান্স আপন আ টাইসম ইন মুম্বাই', 'ফ্যাশন', 'তনু ওয়েডস মনু' ও 'কুইন'সহ একাধিক সাড়াজাগানো সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এ অভিনেত্রী।

ঢাকা, সেপ্টেম্বর ১৩(বিডিলাইভ২৪)